দীর্ঘদিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া। শ্রমবাজার, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, শিক্ষা, পর্যটন, হালাল শিল্প ও ডিজিটাল অর্থনীতিসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে দুই দেশ নতুন করে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান -এর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতিতে এসব সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ২০২৭ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আসিয়ানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা এবং আরসিইপি-তে যোগদানে মালয়েশিয়ার সমর্থনও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
শ্রমিক নিয়োগ, বিনিয়োগ সহজীকরণ, প্রযুক্তি স্থানান্তর, জ্বালানি সহযোগিতা এবং হালাল শিল্প উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দুই দেশের শিক্ষার্থী ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
রোহিঙ্গা সংকট, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক ইস্যুতেও দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
দীর্ঘদিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া। শ্রমবাজার, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, শিক্ষা, পর্যটন, হালাল শিল্প ও ডিজিটাল অর্থনীতিসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে দুই দেশ নতুন করে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান -এর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতিতে এসব সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ২০২৭ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আসিয়ানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা এবং আরসিইপি-তে যোগদানে মালয়েশিয়ার সমর্থনও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
শ্রমিক নিয়োগ, বিনিয়োগ সহজীকরণ, প্রযুক্তি স্থানান্তর, জ্বালানি সহযোগিতা এবং হালাল শিল্প উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দুই দেশের শিক্ষার্থী ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
রোহিঙ্গা সংকট, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক ইস্যুতেও দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
