মোবাইল ফোনে কয়েকটি ক্লিক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধের পর গোপন টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রবেশ এভাবেই গড়ে উঠেছে অনলাইন পর্নোগ্রাফির সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক একটি নেটওয়ার্ক।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, উন্মুক্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বাইরে গিয়ে টেলিগ্রামের গোপন চ্যানেল ও গ্রুপ ব্যবহার করে একটি চক্র অর্থের বিনিময়ে অশ্লীল ও আপত্তিকর কনটেন্ট বিক্রি করছে। একাধিক চ্যানেলে মাসিক থেকে আজীবন সদস্যপদের বিভিন্ন প্যাকেজের মাধ্যমে ‘ভিআইপি কনটেন্ট’ দেখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্ক্রিনশট ও কথোপকথনে দেখা যায়, নির্দিষ্ট মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে টাকা পাঠানোর পর লেনদেনের তথ্য দিয়ে প্রবেশাধিকার দেওয়া হচ্ছে গোপন গ্রুপে। সেখানে হাজার হাজার ভিডিও ও ব্যক্তিগত কনটেন্ট সংরক্ষিত রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, কিছু চক্র ফেসবুক, টিকটক ও মেসেঞ্জার ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করে পরে টেলিগ্রামের গোপন গ্রুপে যুক্ত করছে। এসব গ্রুপে অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও, হ্যাক করা অ্যাকাউন্টের কনটেন্ট এবং এআই-জেনারেটেড আপত্তিকর ছবি বিক্রির অভিযোগও রয়েছে।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, টেলিগ্রামের এনক্রিপটেড কাঠামো ও সহজে নতুন চ্যানেল খোলার সুবিধা অপরাধীদের জন্য এই ধরনের অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা সহজ করে দিচ্ছে। একটি চ্যানেল বন্ধ হলে দ্রুতই নতুন নামে আবার কার্যক্রম শুরু করা হয়।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের নেটওয়ার্ক শুধু পর্নোগ্রাফি নয়, বরং ব্যক্তিগত তথ্য চুরি, ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইল, আর্থিক প্রতারণা ও সাইবার অপরাধের বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফি তৈরি, সংরক্ষণ ও বাণিজ্যিকভাবে বিতরণ দণ্ডনীয় অপরাধ। অভিযোগ পাওয়া গেলে এ ধরনের চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
মোবাইল ফোনে কয়েকটি ক্লিক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধের পর গোপন টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রবেশ এভাবেই গড়ে উঠেছে অনলাইন পর্নোগ্রাফির সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক একটি নেটওয়ার্ক।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, উন্মুক্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বাইরে গিয়ে টেলিগ্রামের গোপন চ্যানেল ও গ্রুপ ব্যবহার করে একটি চক্র অর্থের বিনিময়ে অশ্লীল ও আপত্তিকর কনটেন্ট বিক্রি করছে। একাধিক চ্যানেলে মাসিক থেকে আজীবন সদস্যপদের বিভিন্ন প্যাকেজের মাধ্যমে ‘ভিআইপি কনটেন্ট’ দেখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্ক্রিনশট ও কথোপকথনে দেখা যায়, নির্দিষ্ট মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে টাকা পাঠানোর পর লেনদেনের তথ্য দিয়ে প্রবেশাধিকার দেওয়া হচ্ছে গোপন গ্রুপে। সেখানে হাজার হাজার ভিডিও ও ব্যক্তিগত কনটেন্ট সংরক্ষিত রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, কিছু চক্র ফেসবুক, টিকটক ও মেসেঞ্জার ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করে পরে টেলিগ্রামের গোপন গ্রুপে যুক্ত করছে। এসব গ্রুপে অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও, হ্যাক করা অ্যাকাউন্টের কনটেন্ট এবং এআই-জেনারেটেড আপত্তিকর ছবি বিক্রির অভিযোগও রয়েছে।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, টেলিগ্রামের এনক্রিপটেড কাঠামো ও সহজে নতুন চ্যানেল খোলার সুবিধা অপরাধীদের জন্য এই ধরনের অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা সহজ করে দিচ্ছে। একটি চ্যানেল বন্ধ হলে দ্রুতই নতুন নামে আবার কার্যক্রম শুরু করা হয়।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের নেটওয়ার্ক শুধু পর্নোগ্রাফি নয়, বরং ব্যক্তিগত তথ্য চুরি, ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইল, আর্থিক প্রতারণা ও সাইবার অপরাধের বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফি তৈরি, সংরক্ষণ ও বাণিজ্যিকভাবে বিতরণ দণ্ডনীয় অপরাধ। অভিযোগ পাওয়া গেলে এ ধরনের চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
