বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় এক কলেজপড়ুয়া তরুণীকে ব্ল্যাকমেইল করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী তরুণী রামপাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেন, উপজেলার বড়দিয়া গ্রামের মৃত খোকা শেখের ছেলে মো. হাফিজুর রহমান (৪০) ইজিবাইকে কলেজে আনা-নেওয়ার সূত্র ধরে তার সঙ্গে পরিচিত হন। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে তরুণীর বাবা মাছের ঘেরে গেলে অভিযুক্ত তাদের বাড়িতে প্রবেশ করেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ওই সময় অভিযুক্ত তাকে ব্ল্যাকমেইল করে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটান। পরে ঘরে থাকা এক জোড়া স্বর্ণের কানের দুল এবং গচ্ছিত দুই লাখ টাকা নিয়ে যান। অভিযোগে আরও বলা হয়, বিষয়টি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।
অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, আত্মসাৎ করা কানের দুল রামপাল সদরের একটি জুয়েলার্সে বন্ধক রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তথ্য তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে বলে ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি।
তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. হাফিজুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তার দাবি, কানের দুল বন্ধক রাখার বিষয়টি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ঘটেছে এবং তিনি কোনো অপরাধ করেননি।
এ বিষয়ে রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ রাজিব আল রশিদ অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, "লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনে বর্ণিত অভিযোগগুলো ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় এক কলেজপড়ুয়া তরুণীকে ব্ল্যাকমেইল করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী তরুণী রামপাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেন, উপজেলার বড়দিয়া গ্রামের মৃত খোকা শেখের ছেলে মো. হাফিজুর রহমান (৪০) ইজিবাইকে কলেজে আনা-নেওয়ার সূত্র ধরে তার সঙ্গে পরিচিত হন। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে তরুণীর বাবা মাছের ঘেরে গেলে অভিযুক্ত তাদের বাড়িতে প্রবেশ করেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ওই সময় অভিযুক্ত তাকে ব্ল্যাকমেইল করে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটান। পরে ঘরে থাকা এক জোড়া স্বর্ণের কানের দুল এবং গচ্ছিত দুই লাখ টাকা নিয়ে যান। অভিযোগে আরও বলা হয়, বিষয়টি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।
অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, আত্মসাৎ করা কানের দুল রামপাল সদরের একটি জুয়েলার্সে বন্ধক রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তথ্য তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে বলে ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি।
তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. হাফিজুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তার দাবি, কানের দুল বন্ধক রাখার বিষয়টি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ঘটেছে এবং তিনি কোনো অপরাধ করেননি।
এ বিষয়ে রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ রাজিব আল রশিদ অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, "লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনে বর্ণিত অভিযোগগুলো ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
