যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের অস্থিরতার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সোমবার (২১ জুন) তার পদত্যাগের সম্ভাব্য সময়সূচী ঘোষণা করতে পারেন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারিভাবে এখনো তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগের বিষয়ে কোনো ঘোষণা দেননি। বরং আগে থেকেই তিনি বলে আসছিলেন, নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তিনি প্রস্তুত।
তবে সাম্প্রতিক ৪৮ ঘণ্টায় পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলে গেছে বলে জানিয়েছে অভ্যন্তরীণ সূত্র। সরকারের ভেতরে রাজনৈতিক চাপ ও মতবিরোধ দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগের সময়সীমা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য সচিব পিটার কাইল জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বার্থকে সর্বাগ্রে রাখেন এবং যেকোনো সিদ্ধান্ত সেই বিবেচনায়ই নেবেন। তিনি আরও বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী গভীরভাবে ভাবছেন।
বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই চাপ হঠাৎ তৈরি হয়নি। বরং বেশ কিছুদিন ধরেই স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে রাজনৈতিক চাপ ও বিতর্ক চলছিল, যা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।
সব মিলিয়ে যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে এখন অনিশ্চয়তা ও উত্তেজনা চরমে, আর সোমবারের ঘোষণার দিকেই তাকিয়ে আছে দেশটির রাজনৈতিক মহল।

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের অস্থিরতার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সোমবার (২১ জুন) তার পদত্যাগের সম্ভাব্য সময়সূচী ঘোষণা করতে পারেন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারিভাবে এখনো তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগের বিষয়ে কোনো ঘোষণা দেননি। বরং আগে থেকেই তিনি বলে আসছিলেন, নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তিনি প্রস্তুত।
তবে সাম্প্রতিক ৪৮ ঘণ্টায় পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলে গেছে বলে জানিয়েছে অভ্যন্তরীণ সূত্র। সরকারের ভেতরে রাজনৈতিক চাপ ও মতবিরোধ দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগের সময়সীমা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য সচিব পিটার কাইল জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বার্থকে সর্বাগ্রে রাখেন এবং যেকোনো সিদ্ধান্ত সেই বিবেচনায়ই নেবেন। তিনি আরও বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী গভীরভাবে ভাবছেন।
বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই চাপ হঠাৎ তৈরি হয়নি। বরং বেশ কিছুদিন ধরেই স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে রাজনৈতিক চাপ ও বিতর্ক চলছিল, যা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।
সব মিলিয়ে যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে এখন অনিশ্চয়তা ও উত্তেজনা চরমে, আর সোমবারের ঘোষণার দিকেই তাকিয়ে আছে দেশটির রাজনৈতিক মহল।
