সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

খেলা

অস্ট্রেলিয়ার সামনে সহজ লক্ষ্য

হৃদয়ের ফিফটি ব্যর্থ! ১০৯ রানে থেমে গেল বাংলাদেশ

হৃদয়ের ফিফটি ব্যর্থ! ১০৯ রানে থেমে গেল বাংলাদেশ
তাওহীদ হৃদয়। ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটিং ব্যর্থতায় বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি বাংলাদেশ। টপ অর্ডারের ধারাবাহিক পতনে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে মাত্র ১০৯ রানেই থেমে যায় টাইগাররা।

দলের হয়ে একমাত্র লড়াই করেছেন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। তিনি ৫১ বলে অপরাজিত ৬১ রান করেন, ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ৩টি ছক্কা। তবে অন্য প্রান্তে কেউই তাকে যথাযথ সঙ্গ দিতে পারেননি।

ইনিংসের শুরু থেকেই ধস নামে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে। টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে দল। পাওয়ারপ্লে শেষে স্কোর দাঁড়ায় মাত্র ৩ উইকেটে ২২ রান।

মাঝের ওভারে আরও চাপে পড়ে বাংলাদেশ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ৮.৪ ওভারে ৫ উইকেটে মাত্র ৩৬ রান করে দলটি।

শেষ দিকে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন রিশাদ হোসেন, তবে বড় সংগ্রহের পথে ফিরতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ১৭.১ ওভারে ৮৬/৮ থেকে দল থামে ১০৯ রানে।

অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বিধ্বংসী ছিলেন স্পেন্সার জনসন। তিনি ৪ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। এছাড়া নাথান এলিস ও অ্যাডাম জাম্পা ও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে নেন।

শেষ ৫ ওভারে কিছু রান এলেও তা বাংলাদেশের জন্য যথেষ্ট হয়নি। টপ অর্ডারের ব্যর্থতা ও ধারাবাহিক উইকেট পতনে বড় স্কোর গড়া সম্ভব হয়নি।

ফলে অস্ট্রেলিয়ার সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ১১০ রান, আর সিরিজের শেষ ম্যাচে ধবলধোলাই এড়াতে এখন বোলারদের ওপরই ভরসা বাংলাদেশ দলের।

#বাংলাদেশক্রিকেট #টি২০ম্যাচ #অস্ট্রেলিয়াবাংলাদেশ

চেকপোস্ট

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬


হৃদয়ের ফিফটি ব্যর্থ! ১০৯ রানে থেমে গেল বাংলাদেশ

প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটিং ব্যর্থতায় বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি বাংলাদেশ। টপ অর্ডারের ধারাবাহিক পতনে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে মাত্র ১০৯ রানেই থেমে যায় টাইগাররা।

দলের হয়ে একমাত্র লড়াই করেছেন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। তিনি ৫১ বলে অপরাজিত ৬১ রান করেন, ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ৩টি ছক্কা। তবে অন্য প্রান্তে কেউই তাকে যথাযথ সঙ্গ দিতে পারেননি।

ইনিংসের শুরু থেকেই ধস নামে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে। টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে দল। পাওয়ারপ্লে শেষে স্কোর দাঁড়ায় মাত্র ৩ উইকেটে ২২ রান।

মাঝের ওভারে আরও চাপে পড়ে বাংলাদেশ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ৮.৪ ওভারে ৫ উইকেটে মাত্র ৩৬ রান করে দলটি।

শেষ দিকে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন রিশাদ হোসেন, তবে বড় সংগ্রহের পথে ফিরতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ১৭.১ ওভারে ৮৬/৮ থেকে দল থামে ১০৯ রানে।

অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বিধ্বংসী ছিলেন স্পেন্সার জনসন। তিনি ৪ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। এছাড়া নাথান এলিস ও অ্যাডাম জাম্পা ও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে নেন।

শেষ ৫ ওভারে কিছু রান এলেও তা বাংলাদেশের জন্য যথেষ্ট হয়নি। টপ অর্ডারের ব্যর্থতা ও ধারাবাহিক উইকেট পতনে বড় স্কোর গড়া সম্ভব হয়নি।

ফলে অস্ট্রেলিয়ার সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ১১০ রান, আর সিরিজের শেষ ম্যাচে ধবলধোলাই এড়াতে এখন বোলারদের ওপরই ভরসা বাংলাদেশ দলের।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত