ফুটবল বিশ্বকাপ বা আন্তর্জাতিক বড় টুর্নামেন্ট এলেই বাংলাদেশে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা নতুন মাত্রা পায়। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা ও লিওনেল মেসির সমর্থকদের নানা ব্যতিক্রমী আয়োজন বরাবরই আলোচনায় থাকে। এবার হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শাহপুর বাজারে দেখা মিলেছে তেমনই এক ভিন্নধর্মী উদ্যোগের।
উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের শাহপুর
বাজারজুড়ে আর্জেন্টিনার পতাকা
টাঙিয়ে
সাজানো
হয়েছে
পুরো
এলাকা।
শুধু
তাই
নয়,
একটি
গাছকেও
আর্জেন্টিনার জাতীয়
পতাকার
আদলে
রঙ
ও
সাজসজ্জায় আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা
হয়েছে,
যা
স্থানীয়দের পাশাপাশি পথচারীদেরও দৃষ্টি
কাড়ছে।
স্থানীয় আর্জেন্টিনা সমর্থকরা জানান,
বিশ্বকাপের খেলা
একসঙ্গে উপভোগ
করতে
তারা
ঢাকা
থেকে
একটি
বড়
প্রজেক্টর এনে
উন্মুক্ত স্থানে
খেলা
দেখার
ব্যবস্থা করেছেন। প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে
বাজারে
ভিড়
করছেন
ফুটবলপ্রেমীরা।
আর্জেন্টিনা সমর্থক
হুমায়ুন কবির
দাবি
করেন,
শাহপুর
বাজারে
টাঙানো
আর্জেন্টিনার পতাকাটি হবিগঞ্জ জেলার
মধ্যে
সবচেয়ে
বড়।
তিনি
বলেন,
প্রিয়
দল
ও
লিওনেল
মেসির
প্রতি
ভালোবাসা থেকেই
তাদের
এই
ব্যতিক্রমী আয়োজন।
স্থানীয়দের মতে,
এ
ধরনের
আয়োজন
শুধু
ফুটবলপ্রেমীদেরই নয়,
আশপাশের এলাকার
মানুষের কাছেও
উৎসবমুখর পরিবেশ
তৈরি
করেছে।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
ফুটবল বিশ্বকাপ বা আন্তর্জাতিক বড় টুর্নামেন্ট এলেই বাংলাদেশে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা নতুন মাত্রা পায়। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা ও লিওনেল মেসির সমর্থকদের নানা ব্যতিক্রমী আয়োজন বরাবরই আলোচনায় থাকে। এবার হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শাহপুর বাজারে দেখা মিলেছে তেমনই এক ভিন্নধর্মী উদ্যোগের।
উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের শাহপুর
বাজারজুড়ে আর্জেন্টিনার পতাকা
টাঙিয়ে
সাজানো
হয়েছে
পুরো
এলাকা।
শুধু
তাই
নয়,
একটি
গাছকেও
আর্জেন্টিনার জাতীয়
পতাকার
আদলে
রঙ
ও
সাজসজ্জায় আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা
হয়েছে,
যা
স্থানীয়দের পাশাপাশি পথচারীদেরও দৃষ্টি
কাড়ছে।
স্থানীয় আর্জেন্টিনা সমর্থকরা জানান,
বিশ্বকাপের খেলা
একসঙ্গে উপভোগ
করতে
তারা
ঢাকা
থেকে
একটি
বড়
প্রজেক্টর এনে
উন্মুক্ত স্থানে
খেলা
দেখার
ব্যবস্থা করেছেন। প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে
বাজারে
ভিড়
করছেন
ফুটবলপ্রেমীরা।
আর্জেন্টিনা সমর্থক
হুমায়ুন কবির
দাবি
করেন,
শাহপুর
বাজারে
টাঙানো
আর্জেন্টিনার পতাকাটি হবিগঞ্জ জেলার
মধ্যে
সবচেয়ে
বড়।
তিনি
বলেন,
প্রিয়
দল
ও
লিওনেল
মেসির
প্রতি
ভালোবাসা থেকেই
তাদের
এই
ব্যতিক্রমী আয়োজন।
স্থানীয়দের মতে,
এ
ধরনের
আয়োজন
শুধু
ফুটবলপ্রেমীদেরই নয়,
আশপাশের এলাকার
মানুষের কাছেও
উৎসবমুখর পরিবেশ
তৈরি
করেছে।
