সোমবার, ১১ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্নের অভিযোগ

মসজিদে টিকটক ভিডিও করে বিতর্ক, শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার

মসজিদে টিকটক ভিডিও করে বিতর্ক, শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার
নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সিনথিয়া আক্তার শান্তা। ছবি: চেকপোস্ট

জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় মডেল মসজিদে টিকটক ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় এক শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সোমবার ১১ মে দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ভোকেশনাল জেনারেল ইলেকট্রনিক্স বিভাগের শিক্ষার্থী সিনথিয়া আক্তার শান্তাকে ছাড়পত্র প্রদান করা হয়। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

সূত্র জানায়, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নেচে-গেয়ে টিকটক ভিডিও ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি একটি ফেসবুক আইডি থেকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে শৃঙ্খলা পরিপন্থী এবং প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারী বলে উল্লেখ করে ব্যবস্থা নেয়।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমান বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করে এবং ভবিষ্যতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Image

#দেওয়ানগঞ্জ #টিকটক_বিতর্ক #বিদ্যালয়_বহিষ্কার

চেকপোস্ট

সোমবার, ১১ মে ২০২৬


মসজিদে টিকটক ভিডিও করে বিতর্ক, শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার

প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

featured Image

জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় মডেল মসজিদে টিকটক ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় এক শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সোমবার ১১ মে দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ভোকেশনাল জেনারেল ইলেকট্রনিক্স বিভাগের শিক্ষার্থী সিনথিয়া আক্তার শান্তাকে ছাড়পত্র প্রদান করা হয়। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

সূত্র জানায়, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নেচে-গেয়ে টিকটক ভিডিও ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি একটি ফেসবুক আইডি থেকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে শৃঙ্খলা পরিপন্থী এবং প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারী বলে উল্লেখ করে ব্যবস্থা নেয়।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমান বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করে এবং ভবিষ্যতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত