চলতি বছর দেশে ৫৬ লাখের বেশি চামড়া সংরক্ষণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।
রোববার (৩১ মে) বিকেলে সিলেট মহানগর বিএনপি আয়োজিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীর আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, অনিশ্চিত পরিস্থিতির মধ্যেও এ বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চামড়া সংরক্ষণ সম্ভব হয়েছে, যা ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, চামড়া খাতে ধীরগতি থাকলেও ভবিষ্যতে ওয়েট ব্লু চামড়া রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ে বিভাগীয় শহরগুলোতে আধুনিক স্লটার হাউস নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পশু জবাই, চামড়া ছাড়ানো এবং মাংস প্রক্রিয়াকরণ একটি নিয়ন্ত্রিত ও দক্ষ ব্যবস্থার মধ্যে আসবে বলে তিনি জানান। এতে চামড়ার অপচয় কমবে এবং পরিবেশ দূষণও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, সাভারে স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় যেসব ট্যানারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের মধ্যে সক্ষম প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকার সহায়তা দেবে। পাশাপাশি ইটিপি স্থাপনে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, যারা দেশের অর্থনীতি ও শিল্প খাত নিয়ে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
চলতি বছর দেশে ৫৬ লাখের বেশি চামড়া সংরক্ষণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।
রোববার (৩১ মে) বিকেলে সিলেট মহানগর বিএনপি আয়োজিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীর আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, অনিশ্চিত পরিস্থিতির মধ্যেও এ বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চামড়া সংরক্ষণ সম্ভব হয়েছে, যা ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, চামড়া খাতে ধীরগতি থাকলেও ভবিষ্যতে ওয়েট ব্লু চামড়া রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ে বিভাগীয় শহরগুলোতে আধুনিক স্লটার হাউস নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পশু জবাই, চামড়া ছাড়ানো এবং মাংস প্রক্রিয়াকরণ একটি নিয়ন্ত্রিত ও দক্ষ ব্যবস্থার মধ্যে আসবে বলে তিনি জানান। এতে চামড়ার অপচয় কমবে এবং পরিবেশ দূষণও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, সাভারে স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় যেসব ট্যানারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের মধ্যে সক্ষম প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকার সহায়তা দেবে। পাশাপাশি ইটিপি স্থাপনে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, যারা দেশের অর্থনীতি ও শিল্প খাত নিয়ে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।
