সরকারের নীতিনির্ধারণী কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে মন্ত্রিসভায় নতুন সদস্য যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন চার নেতা—ড. মঈন খান, আন্দালিব রহমান পার্থ, সাচিং প্রু জেরী ও শামীম কায়সার লিংকন।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শুধু নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তিই নয়, মন্ত্রিসভার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বা পরিবর্তনের সম্ভাবনাও রয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় রয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের পাশাপাশি জোটের শরিক নেতাদের মধ্য থেকেও কয়েকজনকে মন্ত্রিসভায় আনা হতে পারে। এ বিষয়ে শুক্রবার অথবা শনিবারের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে। একই সঙ্গে জারি হতে পারে সরকারি প্রজ্ঞাপন।
অন্য একটি সূত্রের দাবি, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ অনুষ্ঠানের পর নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে পারে।
নতুন সদস্যদের জন্য ইতোমধ্যে সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কয়েকটি পতাকাবাহী গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানা গেছে। একজন কর্মকর্তা জানান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশে তিন থেকে পাঁচটি গাড়ি চালকসহ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী পদটি শূন্য হয়েছে। বর্তমানে ওই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহে আলম।
এর আগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদের নাম আলোচনায় আসে। তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
অন্যদিকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করায় ওই মন্ত্রণালয়েও নতুন দায়িত্ব বণ্টনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন দায়িত্ব পালন করছেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় আসে বিএনপি। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হয়।
বর্তমানে সরকারে প্রধানমন্ত্রীসহ রয়েছেন ২৩ জন মন্ত্রী, ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী এবং মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় ১০ জন উপদেষ্টা।

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
সরকারের নীতিনির্ধারণী কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে মন্ত্রিসভায় নতুন সদস্য যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন চার নেতা—ড. মঈন খান, আন্দালিব রহমান পার্থ, সাচিং প্রু জেরী ও শামীম কায়সার লিংকন।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শুধু নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তিই নয়, মন্ত্রিসভার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বা পরিবর্তনের সম্ভাবনাও রয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় রয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের পাশাপাশি জোটের শরিক নেতাদের মধ্য থেকেও কয়েকজনকে মন্ত্রিসভায় আনা হতে পারে। এ বিষয়ে শুক্রবার অথবা শনিবারের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে। একই সঙ্গে জারি হতে পারে সরকারি প্রজ্ঞাপন।
অন্য একটি সূত্রের দাবি, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ অনুষ্ঠানের পর নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে পারে।
নতুন সদস্যদের জন্য ইতোমধ্যে সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কয়েকটি পতাকাবাহী গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানা গেছে। একজন কর্মকর্তা জানান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশে তিন থেকে পাঁচটি গাড়ি চালকসহ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী পদটি শূন্য হয়েছে। বর্তমানে ওই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহে আলম।
এর আগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদের নাম আলোচনায় আসে। তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
অন্যদিকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করায় ওই মন্ত্রণালয়েও নতুন দায়িত্ব বণ্টনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন দায়িত্ব পালন করছেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় আসে বিএনপি। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হয়।
বর্তমানে সরকারে প্রধানমন্ত্রীসহ রয়েছেন ২৩ জন মন্ত্রী, ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী এবং মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় ১০ জন উপদেষ্টা।
