কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুরি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সড়কের বেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় রাস্তায় পানি জমে কাদা ও গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, ফলে স্থানীয়দের চলাচলে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৭ থেকে ৮ দিন ধরে অবিরাম বৃষ্টিপাতের কারণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে রয়েছে। পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় পুরো রাস্তা কাদায় পরিণত হয়েছে। এতে পথচারীদের পাশাপাশি মোটরসাইকেল ও ভ্যানচালকদেরও মারাত্মক সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করতে হয়, কিন্তু এখন কাদার কারণে ঠিকমতো হাঁটাও যায় না।”
আরেকজন বলেন, “পানি জমে ছোট গর্তগুলো বড় হয়ে গেছে, যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।”
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির কোনো সংস্কার কাজ হয়নি। সামান্য বৃষ্টিতেই এমন করুণ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। দ্রুত রাস্তা সংস্কার ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের আশা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হলে তাদের ভোগান্তি কমবে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুরি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সড়কের বেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় রাস্তায় পানি জমে কাদা ও গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, ফলে স্থানীয়দের চলাচলে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৭ থেকে ৮ দিন ধরে অবিরাম বৃষ্টিপাতের কারণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে রয়েছে। পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় পুরো রাস্তা কাদায় পরিণত হয়েছে। এতে পথচারীদের পাশাপাশি মোটরসাইকেল ও ভ্যানচালকদেরও মারাত্মক সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করতে হয়, কিন্তু এখন কাদার কারণে ঠিকমতো হাঁটাও যায় না।”
আরেকজন বলেন, “পানি জমে ছোট গর্তগুলো বড় হয়ে গেছে, যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।”
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির কোনো সংস্কার কাজ হয়নি। সামান্য বৃষ্টিতেই এমন করুণ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। দ্রুত রাস্তা সংস্কার ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের আশা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হলে তাদের ভোগান্তি কমবে।
