ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকায় নিজের-১৫ বছর বয়সী মেয়ে ধর্ষণের অভিযোগে রফিকুল ইসলাম (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশ।
গত মঙ্গলবার-(১৯ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেন।
গ্রেপ্তারকৃত রফিকুল ইসলাম জেলার নাসিরনগর উপজেলার নূরপুর পাঁচবাড়ী এলাকার সিরাজ মিয়ার ছেলে।তিনি বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের ছয়ঘরিয়া পাড়ার একটি ভাড়া বাসায় পরিবারসহ বসবাস করছিলেন।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত-১৬ মে শনিবার রাত আনুমানিক-১১টা,৫০ মিনিটের দিকে ভিকটিম কিশোরী তার নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় তার পিতা রফিকুল ইসলাম কৌশলে রুমে প্রবেশ করে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে। ভিকটিম চিৎকার শুরু করলে রফিকুল তাকে হত্যার ভয় দেখিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
পরবর্তীতে গত-১৮ মে সোমবার সকাল-১০টার দিকে ভিকটিমকে পুনরায় একা পেয়ে রফিকুল ইসলাম ফের ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় ভিকটিম জীবন বাঁচাতে দ্রুত ঘর থেকে দৌড়ে নিচে নেমে আসে এবং আশেপাশের লোকজন দের বিষয়টি খুলে বলেন। পরবর্তীতে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পেরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ভিকটিম বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করলে
এই ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে তার পিতার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানায়,"ভুক্তভোগী কিশোরীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার রাতে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত পিতাকে গ্রেপ্তার করেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিজ্ঞ আদালতের আদেশে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। ওসি আরও জানায় অত্র এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রয়েছে এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের নিরাপত্তার বিষয়টি পুলিশ গুরুত্ব সহকারে দেখছেন।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকায় নিজের-১৫ বছর বয়সী মেয়ে ধর্ষণের অভিযোগে রফিকুল ইসলাম (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশ।
গত মঙ্গলবার-(১৯ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেন।
গ্রেপ্তারকৃত রফিকুল ইসলাম জেলার নাসিরনগর উপজেলার নূরপুর পাঁচবাড়ী এলাকার সিরাজ মিয়ার ছেলে।তিনি বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের ছয়ঘরিয়া পাড়ার একটি ভাড়া বাসায় পরিবারসহ বসবাস করছিলেন।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত-১৬ মে শনিবার রাত আনুমানিক-১১টা,৫০ মিনিটের দিকে ভিকটিম কিশোরী তার নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় তার পিতা রফিকুল ইসলাম কৌশলে রুমে প্রবেশ করে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে। ভিকটিম চিৎকার শুরু করলে রফিকুল তাকে হত্যার ভয় দেখিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
পরবর্তীতে গত-১৮ মে সোমবার সকাল-১০টার দিকে ভিকটিমকে পুনরায় একা পেয়ে রফিকুল ইসলাম ফের ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় ভিকটিম জীবন বাঁচাতে দ্রুত ঘর থেকে দৌড়ে নিচে নেমে আসে এবং আশেপাশের লোকজন দের বিষয়টি খুলে বলেন। পরবর্তীতে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পেরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ভিকটিম বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করলে
এই ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে তার পিতার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানায়,"ভুক্তভোগী কিশোরীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার রাতে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত পিতাকে গ্রেপ্তার করেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিজ্ঞ আদালতের আদেশে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। ওসি আরও জানায় অত্র এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রয়েছে এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের নিরাপত্তার বিষয়টি পুলিশ গুরুত্ব সহকারে দেখছেন।
