লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় ‘গাঁজাখোর’ বলাকে কেন্দ্র করে এক কিশোরকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তীতে লাশ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে সাপ্টিবাড়ি বাজার এলাকায় লালমনিরহাট–বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ করে বিচার দাবি করেন বিক্ষুব্ধ জনতা। এতে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়।
এর আগে সোমবার (৮ জুন) রাতে উপজেলার সারপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে।
নিহত লিয়াকত আলী লাদেন (১৬) সারপুকুর ইউনিয়নের বালাটারী গ্রামের আশরাফুল ইসলামের ছেলে এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ছাত্র ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছোট একটি বিতর্কের জেরে একই এলাকার রাব্বি নামের এক কিশোর লিয়াকতকে ‘গাঁজাখোর’ বলে গালি দেয়। এতে উত্তেজিত হয়ে লিয়াকত তাকে চড় মারলে বিষয়টি বড়দের কাছে জানানো হয়। পরে পারিবারিক বিরোধের জেরে রাব্বির বড় ভাই রকি তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ ওঠে।
পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় লিয়াকতকে উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং অভিযুক্তদের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরে মঙ্গলবার বিকেলে নিহতের লাশ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করা হলে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
আদিতমারী থানার ওসি নাজমুল হক জানান, এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় ‘গাঁজাখোর’ বলাকে কেন্দ্র করে এক কিশোরকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তীতে লাশ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে সাপ্টিবাড়ি বাজার এলাকায় লালমনিরহাট–বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ করে বিচার দাবি করেন বিক্ষুব্ধ জনতা। এতে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়।
এর আগে সোমবার (৮ জুন) রাতে উপজেলার সারপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে।
নিহত লিয়াকত আলী লাদেন (১৬) সারপুকুর ইউনিয়নের বালাটারী গ্রামের আশরাফুল ইসলামের ছেলে এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ছাত্র ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছোট একটি বিতর্কের জেরে একই এলাকার রাব্বি নামের এক কিশোর লিয়াকতকে ‘গাঁজাখোর’ বলে গালি দেয়। এতে উত্তেজিত হয়ে লিয়াকত তাকে চড় মারলে বিষয়টি বড়দের কাছে জানানো হয়। পরে পারিবারিক বিরোধের জেরে রাব্বির বড় ভাই রকি তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ ওঠে।
পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় লিয়াকতকে উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং অভিযুক্তদের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরে মঙ্গলবার বিকেলে নিহতের লাশ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করা হলে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
আদিতমারী থানার ওসি নাজমুল হক জানান, এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
