ঢাকার কেরাণীগঞ্জ ও কদমতলী এলাকায় র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩ জনকে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ নকল খাদ্যপণ্য এবং প্রায় ১ হাজার ৭৭৮ কেজি তামার তার জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) র্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু হাসানের নেতৃত্বে এবং র্যাব-১০ এর সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানের এক পর্যায়ে রাজধানীর কদমতলী থানার সবুজবাগ এলাকায় বিএসটিআই অনুমোদন ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের মোড়কে নকল ও ভেজাল খাদ্যপণ্য উৎপাদনের প্রমাণ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় মো. শাহিন রেজা (৪১) ও মো. ইদ্রিস আলী (৫৭)-কে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ২ লাখ টাকা করে মোট ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ নকল খাদ্যপণ্য জব্দ ও ধ্বংস করা হয়।
অন্যদিকে কদমতলী এলাকায় পৃথক আরেকটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মো. তারেকুল ইসলাম (৪৬)-কে অবৈধভাবে তামার তার উৎপাদনের দায়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় প্রায় ১ হাজার ৭৭৮ কেজি তামার তার জব্দ করা হয়।
র্যাব জানিয়েছে, জনস্বার্থে ভেজাল, জালিয়াতি ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষায় জিরো টলারেন্স নীতিতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
ঢাকার কেরাণীগঞ্জ ও কদমতলী এলাকায় র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩ জনকে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ নকল খাদ্যপণ্য এবং প্রায় ১ হাজার ৭৭৮ কেজি তামার তার জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) র্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু হাসানের নেতৃত্বে এবং র্যাব-১০ এর সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানের এক পর্যায়ে রাজধানীর কদমতলী থানার সবুজবাগ এলাকায় বিএসটিআই অনুমোদন ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের মোড়কে নকল ও ভেজাল খাদ্যপণ্য উৎপাদনের প্রমাণ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় মো. শাহিন রেজা (৪১) ও মো. ইদ্রিস আলী (৫৭)-কে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ২ লাখ টাকা করে মোট ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ নকল খাদ্যপণ্য জব্দ ও ধ্বংস করা হয়।
অন্যদিকে কদমতলী এলাকায় পৃথক আরেকটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মো. তারেকুল ইসলাম (৪৬)-কে অবৈধভাবে তামার তার উৎপাদনের দায়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় প্রায় ১ হাজার ৭৭৮ কেজি তামার তার জব্দ করা হয়।
র্যাব জানিয়েছে, জনস্বার্থে ভেজাল, জালিয়াতি ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষায় জিরো টলারেন্স নীতিতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
