বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিয়ের আয়োজন মানেই আনন্দ, উৎসব আর উদযাপন। তবে চীন-এর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের টুজিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রচলিত রয়েছে এক ব্যতিক্রমী রীতি, যেখানে বিয়ের আগে কনেকে নিয়মিত কাঁদতে হয়। এই প্রথাটি ‘ক্রাইং ম্যারেজ’ নামে পরিচিত।
ঐতিহাসিকভাবে এই রীতির প্রচলন কিং রাজবংশ-এর শেষ সময় (১৬৪৪–১৯১১) থেকে। যদিও আধুনিক শহুরে জীবনে এর চর্চা কমে গেছে, তবুও গ্রামীণ ও পাহাড়ি অঞ্চলে এখনো এটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক অংশ হিসেবে টিকে আছে।
কিছু এলাকায় ‘টেন সিস্টার গ্যাদারিং’ নামে কনের বন্ধু ও আত্মীয়রা একত্র হয়ে কান্না ও গান করেন, যা সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।
এছাড়া এটি পরিবার ও সমাজের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ এবং নতুন জীবনের প্রতি প্রতিশ্রুতির প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হয়।
মনস্তাত্ত্বিক দিক থেকেও এটি কনের আবেগ প্রকাশ ও মানসিক প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে বিবেচিত।
বর্তমান সময়েও চীনের কিছু গ্রামীণ অঞ্চলে এই প্রথা টিকে আছে, যা পরিবার, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিয়ের আয়োজন মানেই আনন্দ, উৎসব আর উদযাপন। তবে চীন-এর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের টুজিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রচলিত রয়েছে এক ব্যতিক্রমী রীতি, যেখানে বিয়ের আগে কনেকে নিয়মিত কাঁদতে হয়। এই প্রথাটি ‘ক্রাইং ম্যারেজ’ নামে পরিচিত।
ঐতিহাসিকভাবে এই রীতির প্রচলন কিং রাজবংশ-এর শেষ সময় (১৬৪৪–১৯১১) থেকে। যদিও আধুনিক শহুরে জীবনে এর চর্চা কমে গেছে, তবুও গ্রামীণ ও পাহাড়ি অঞ্চলে এখনো এটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক অংশ হিসেবে টিকে আছে।
কিছু এলাকায় ‘টেন সিস্টার গ্যাদারিং’ নামে কনের বন্ধু ও আত্মীয়রা একত্র হয়ে কান্না ও গান করেন, যা সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।
এছাড়া এটি পরিবার ও সমাজের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ এবং নতুন জীবনের প্রতি প্রতিশ্রুতির প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হয়।
মনস্তাত্ত্বিক দিক থেকেও এটি কনের আবেগ প্রকাশ ও মানসিক প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে বিবেচিত।
বর্তমান সময়েও চীনের কিছু গ্রামীণ অঞ্চলে এই প্রথা টিকে আছে, যা পরিবার, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়।
