বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবকে ‘গণবিরোধী ও জনজীবনবিধ্বংসী’ বলে অভিহিত করে তা অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)।
বুধবার (৬ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান দলের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ।
তিনি বলেন, সরকার পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৭ থেকে ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। এর ফলে খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিটে সর্বোচ্চ ১ টাকা ৩৮ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়তে পারে। তার মতে, এটি সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে।
বজলুর রশীদ ফিরোজ আরও বলেন, বিদ্যুৎ খাতে দীর্ঘদিন ধরে সিস্টেম লস, অপচয় ও দুর্নীতির কারণে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। এসব সমস্যার সমাধান না করে জনগণের ওপর নতুন করে মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপানো অন্যায়।
তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে ভাড়াভিত্তিক ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে ‘ক্যাপাসিটি পেমেন্ট’ বাবদ হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে, যা সাধারণ জনগণের ঘাড়েই পড়েছে।
এছাড়া তিনি দাবি করেন, বিদ্যুৎ খাতে বিপুল ভর্তুকির বোঝাও জনগণের করের টাকায় বহন করা হচ্ছে, অথচ বিতরণ কোম্পানিগুলো এখনো মুনাফা করছে।
বাসদ চার দফা দাবি জানিয়ে বলেছে-
১. বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব অবিলম্বে বাতিল করতে হবে
২. সিস্টেম লস ও চুরি বন্ধ করতে হবে
৩. ভাড়াভিত্তিক কেন্দ্রের ক্যাপাসিটি পেমেন্ট বন্ধ ও অনিয়মের বিচার করতে হবে
৪. গণশুনানিতে স্বচ্ছতা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবকে ‘গণবিরোধী ও জনজীবনবিধ্বংসী’ বলে অভিহিত করে তা অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)।
বুধবার (৬ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান দলের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ।
তিনি বলেন, সরকার পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৭ থেকে ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। এর ফলে খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিটে সর্বোচ্চ ১ টাকা ৩৮ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়তে পারে। তার মতে, এটি সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে।
বজলুর রশীদ ফিরোজ আরও বলেন, বিদ্যুৎ খাতে দীর্ঘদিন ধরে সিস্টেম লস, অপচয় ও দুর্নীতির কারণে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। এসব সমস্যার সমাধান না করে জনগণের ওপর নতুন করে মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপানো অন্যায়।
তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে ভাড়াভিত্তিক ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে ‘ক্যাপাসিটি পেমেন্ট’ বাবদ হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে, যা সাধারণ জনগণের ঘাড়েই পড়েছে।
এছাড়া তিনি দাবি করেন, বিদ্যুৎ খাতে বিপুল ভর্তুকির বোঝাও জনগণের করের টাকায় বহন করা হচ্ছে, অথচ বিতরণ কোম্পানিগুলো এখনো মুনাফা করছে।
বাসদ চার দফা দাবি জানিয়ে বলেছে-
১. বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব অবিলম্বে বাতিল করতে হবে
২. সিস্টেম লস ও চুরি বন্ধ করতে হবে
৩. ভাড়াভিত্তিক কেন্দ্রের ক্যাপাসিটি পেমেন্ট বন্ধ ও অনিয়মের বিচার করতে হবে
৪. গণশুনানিতে স্বচ্ছতা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে
