বিদেশে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগে একটি প্রতারক চক্রের মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাতে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আই এ মারুফ আহমেদ (৩৪) নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি সিলেট জালালাবাদ থানার পাইকরাজ গ্রামের মৃত হাবিব আহমেদের ছেলে।
র্যাব-৯ সিলেটের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেপ্তার মারুফ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন জেলার মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
র্যাব জানায়, চক্রটি বিদেশে চাকরির নিশ্চয়তা, আকর্ষণীয় বেতন এবং দ্রুত ভিসা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা গ্রহণ করত। পরে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চাকরি বা ভিসার ব্যবস্থা না করে আত্মগোপনে চলে যেত।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চক্রটির মাধ্যমে অনেক ভুক্তভোগীকে ভিজিট ভিসায় বিভিন্ন দেশে পাঠানো হলেও সেখানে গিয়ে তারা কাজ না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হন। আবার অনেকের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হলেও তাদের বিদেশে পাঠানো হয়নি।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-৯-এর একটি অভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে চক্রের মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করে।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানায় প্রতারণার মামলা রয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব আরও জানিয়েছে, বিদেশে পাঠানোর নামে প্রতারণাকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে এ ধরনের প্রলোভনে না পড়ে যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নিতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
বিদেশে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগে একটি প্রতারক চক্রের মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাতে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আই এ মারুফ আহমেদ (৩৪) নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি সিলেট জালালাবাদ থানার পাইকরাজ গ্রামের মৃত হাবিব আহমেদের ছেলে।
র্যাব-৯ সিলেটের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেপ্তার মারুফ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন জেলার মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
র্যাব জানায়, চক্রটি বিদেশে চাকরির নিশ্চয়তা, আকর্ষণীয় বেতন এবং দ্রুত ভিসা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা গ্রহণ করত। পরে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চাকরি বা ভিসার ব্যবস্থা না করে আত্মগোপনে চলে যেত।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চক্রটির মাধ্যমে অনেক ভুক্তভোগীকে ভিজিট ভিসায় বিভিন্ন দেশে পাঠানো হলেও সেখানে গিয়ে তারা কাজ না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হন। আবার অনেকের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হলেও তাদের বিদেশে পাঠানো হয়নি।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-৯-এর একটি অভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে চক্রের মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করে।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানায় প্রতারণার মামলা রয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব আরও জানিয়েছে, বিদেশে পাঠানোর নামে প্রতারণাকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে এ ধরনের প্রলোভনে না পড়ে যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নিতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
