গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় দুটি পৃথক মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা ইউনুস শেখ (৫৮)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের শ্যামবাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে বিকেলে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গ্রেফতার হওয়া ইউনুস শেখ কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের ধানকোড়া গ্রামের বাসিন্দা।
কাশিয়ানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুব্রত কুমার রায় জানান, প্রথমে একটি মারামারির মামলায় ইউনুস শেখকে গ্রেফতার করা হয়। পরে উপজেলার মাজড়া এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ ও নাশকতার অভিযোগে দায়ের হওয়া আরেকটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে এলাকায় বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছিলেন ইউনুস শেখ। সরকার পরিবর্তনের পর তিনি নিজেকে বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচয় দিয়ে এলাকায় নতুন করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন বলেও দাবি করেন তাঁরা।
এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানি এবং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল। স্থানীয়দের দাবি, রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার আগেও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, খুলনা অঞ্চলে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ কয়েকটি ঘটনায় অতীতে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল।
তবে স্থানীয়দের এসব অভিযোগের বিষয়ে ইউনুস শেখ বা তার পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া এসব অভিযোগের সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হয়নি।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় দুটি পৃথক মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা ইউনুস শেখ (৫৮)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের শ্যামবাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে বিকেলে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গ্রেফতার হওয়া ইউনুস শেখ কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের ধানকোড়া গ্রামের বাসিন্দা।
কাশিয়ানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুব্রত কুমার রায় জানান, প্রথমে একটি মারামারির মামলায় ইউনুস শেখকে গ্রেফতার করা হয়। পরে উপজেলার মাজড়া এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ ও নাশকতার অভিযোগে দায়ের হওয়া আরেকটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে এলাকায় বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছিলেন ইউনুস শেখ। সরকার পরিবর্তনের পর তিনি নিজেকে বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচয় দিয়ে এলাকায় নতুন করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন বলেও দাবি করেন তাঁরা।
এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানি এবং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল। স্থানীয়দের দাবি, রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার আগেও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, খুলনা অঞ্চলে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ কয়েকটি ঘটনায় অতীতে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল।
তবে স্থানীয়দের এসব অভিযোগের বিষয়ে ইউনুস শেখ বা তার পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া এসব অভিযোগের সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
