খুলনা নগরীতে অস্ত্র ও গুলিসহ চিংড়ি পলাশের স্ত্রী টিকলি মাক্কি রানীকে (৩০) গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সোনাডাঙ্গা থানার গোবরচাকা এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, চিংড়ি পলাশের বাড়িতে কয়েকজন সন্ত্রাসী অবস্থান করছে। পরে পুলিশ বাড়িটি ঘিরে অভিযান চালায়। এ সময় সেখান থেকে তিনটি বিদেশি পিস্তল, ৯ রাউন্ড গুলি ও ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়। একই অভিযানে পলাশের স্ত্রী টিকলি মাক্কি রানীকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে টিকলি জানান, স্বামী পলাশ গ্রেফতার হওয়ার পর তিনি দুই সন্তানকে নিয়ে ঢাকায় চলে যান। সেখানে একটি গার্মেন্টসে চাকরি নেন এবং স্বামীর সংসারে আর ফিরতে চাননি। পরে তার ভাসুর স্বামীর জামিন হয়েছে-এমন তথ্য দিয়ে তাকে খুলনায় নিয়ে আসেন।
টিকলি পুলিশের কাছে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন বলে ডিবি কর্মকর্তারা জানান।
গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, পলাশের বাড়ি থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের ঘটনায় টিকলি মাক্কি রানীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করা হবে। তবে উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো পলাশের বড় ভাইয়ের সংগ্রহে ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর যশোর থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী পলাশ তালুকদার ওরফে চিংড়ি পলাশকে গ্রেফতার করে র্যাব-৬। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, চিংড়ি পলাশ খুলনা ও আশপাশের জেলার চিংড়ি ঘের মালিকদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মোট ১২টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে সোনাডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। এছাড়া মাদক, চাঁদাবাজি, মারামারি ও বিস্ফোরক আইনে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
খুলনা নগরীতে অস্ত্র ও গুলিসহ চিংড়ি পলাশের স্ত্রী টিকলি মাক্কি রানীকে (৩০) গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সোনাডাঙ্গা থানার গোবরচাকা এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, চিংড়ি পলাশের বাড়িতে কয়েকজন সন্ত্রাসী অবস্থান করছে। পরে পুলিশ বাড়িটি ঘিরে অভিযান চালায়। এ সময় সেখান থেকে তিনটি বিদেশি পিস্তল, ৯ রাউন্ড গুলি ও ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়। একই অভিযানে পলাশের স্ত্রী টিকলি মাক্কি রানীকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে টিকলি জানান, স্বামী পলাশ গ্রেফতার হওয়ার পর তিনি দুই সন্তানকে নিয়ে ঢাকায় চলে যান। সেখানে একটি গার্মেন্টসে চাকরি নেন এবং স্বামীর সংসারে আর ফিরতে চাননি। পরে তার ভাসুর স্বামীর জামিন হয়েছে-এমন তথ্য দিয়ে তাকে খুলনায় নিয়ে আসেন।
টিকলি পুলিশের কাছে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন বলে ডিবি কর্মকর্তারা জানান।
গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, পলাশের বাড়ি থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের ঘটনায় টিকলি মাক্কি রানীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করা হবে। তবে উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো পলাশের বড় ভাইয়ের সংগ্রহে ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর যশোর থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী পলাশ তালুকদার ওরফে চিংড়ি পলাশকে গ্রেফতার করে র্যাব-৬। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, চিংড়ি পলাশ খুলনা ও আশপাশের জেলার চিংড়ি ঘের মালিকদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মোট ১২টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে সোনাডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। এছাড়া মাদক, চাঁদাবাজি, মারামারি ও বিস্ফোরক আইনে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
