হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বর্তমানে কারাবন্দি ব্যারিস্টার সাইদুল হক সুমনের মনোনীত এক প্রতিনিধি স্থান পেয়েছেন এস এম ফয়সল গঠিত উন্নয়ন কমিটিতে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাধবপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।
জানা যায়, আশিকুর রহমান মামুন নামে ওই ব্যক্তি ধর্মঘর ইউনিয়নের একজন ইউপি সদস্য এবং স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি পূর্বে সাবেক এমপি সুমনের ঘনিষ্ঠ ও সমাজসেবা অফিসের মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এবার নতুন এমপির উন্নয়ন কমিটিতে তার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
এদিকে, স্থানীয় যুবদল নেতা ও আলোচিত জুলাই মামলার বাদী আমিনুর রহমান আমিন এ ঘটনায় প্রকাশ্যে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দুঃসময়ে যারা দলের পাশে ছিল, তাদের মূল্যায়ন না করে সুসময়ের লোকদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা দুঃখজনক।
উল্লেখ্য, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এফ এম ফয়সল প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে প্রায় ২০ জন করে সদস্য নিয়ে উন্নয়ন কমিটি গঠন করেছেন বলে জানা গেছে।
তবে স্থানীয় অনেকেই মনে করছেন, রাজনৈতিক বাস্তবতায় এমন অন্তর্ভুক্তি অস্বাভাবিক নয়। আবার কেউ কেউ বলছেন, ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে বিতর্কিত বা ভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ের ব্যক্তিদের স্থান দেওয়া হলে তা দলের ভেতরে অসন্তোষ সৃষ্টি করতে পারে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বর্তমানে কারাবন্দি ব্যারিস্টার সাইদুল হক সুমনের মনোনীত এক প্রতিনিধি স্থান পেয়েছেন এস এম ফয়সল গঠিত উন্নয়ন কমিটিতে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাধবপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।
জানা যায়, আশিকুর রহমান মামুন নামে ওই ব্যক্তি ধর্মঘর ইউনিয়নের একজন ইউপি সদস্য এবং স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি পূর্বে সাবেক এমপি সুমনের ঘনিষ্ঠ ও সমাজসেবা অফিসের মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এবার নতুন এমপির উন্নয়ন কমিটিতে তার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
এদিকে, স্থানীয় যুবদল নেতা ও আলোচিত জুলাই মামলার বাদী আমিনুর রহমান আমিন এ ঘটনায় প্রকাশ্যে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দুঃসময়ে যারা দলের পাশে ছিল, তাদের মূল্যায়ন না করে সুসময়ের লোকদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা দুঃখজনক।
উল্লেখ্য, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এফ এম ফয়সল প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে প্রায় ২০ জন করে সদস্য নিয়ে উন্নয়ন কমিটি গঠন করেছেন বলে জানা গেছে।
তবে স্থানীয় অনেকেই মনে করছেন, রাজনৈতিক বাস্তবতায় এমন অন্তর্ভুক্তি অস্বাভাবিক নয়। আবার কেউ কেউ বলছেন, ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে বিতর্কিত বা ভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ের ব্যক্তিদের স্থান দেওয়া হলে তা দলের ভেতরে অসন্তোষ সৃষ্টি করতে পারে।
