হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মিরপুর এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত আব্দুল্লাহ(৩৫) নামে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি উপজেলার খোঁজারগাঁও গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে এবং মেসার্স সুরমা ট্রান্সপোর্টের মিরপুর শাখার মালিক আব্দুল কাদিরের বড় ভাই। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুরমা ট্রান্সপোর্টের মিরপুর শাখায় কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আছরের নামাজের সময় এক নারীকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় মুরব্বিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে শান্ত হলেও মাগরিবের নামাজের পর পুনরায় দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সংঘর্ষের সময় আব্দুল্লাহসহ কয়েকজন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুল্লাহ মারা যান।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের মরদেহের সুরতহাল ও ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে পুলিশ জানায়, সংঘর্ষের কারণ ও মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মিরপুর এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত আব্দুল্লাহ(৩৫) নামে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি উপজেলার খোঁজারগাঁও গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে এবং মেসার্স সুরমা ট্রান্সপোর্টের মিরপুর শাখার মালিক আব্দুল কাদিরের বড় ভাই। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুরমা ট্রান্সপোর্টের মিরপুর শাখায় কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আছরের নামাজের সময় এক নারীকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় মুরব্বিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে শান্ত হলেও মাগরিবের নামাজের পর পুনরায় দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সংঘর্ষের সময় আব্দুল্লাহসহ কয়েকজন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুল্লাহ মারা যান।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের মরদেহের সুরতহাল ও ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে পুলিশ জানায়, সংঘর্ষের কারণ ও মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
