ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়নের পশ্চিম ইশ্বরকাঠী গ্রামের দুর্গম বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে ইয়ামিন (৭) নামে দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটিকে হত্যার উদ্দেশ্যে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছে পরিবার। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
ইয়ামিন নলছিটি উপজেলার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বৈচন্ডীপাড় এলাকার বাসিন্দা ও মিশরপ্রবাসী রফিকুল ইসলামের ছেলে।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৩ জুলাই সকাল ১০টার দিকে ইয়ামিন নানাবাড়িতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে দুপুরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সে সেখানে পৌঁছায়নি। এরপর পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় মসজিদে মাইকিং করে তার সন্ধান চান। একপর্যায়ে স্থানীয়দের সহায়তায় পশ্চিম ইশ্বরকাঠী গ্রামের একটি দুর্গম বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের পর শিশুটির গলায় বেল্টের মতো দাগ এবং পিঠে ধারালো কাঁটার আঁচড়ের চিহ্ন দেখা যায়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পরিবারের দাবি, শিশুটির বক্তব্যের ভিত্তিতে তারা সন্দেহ করছেন, ঘটনার সঙ্গে সোহাগ (২৪) নামে ইয়ামিনের এক খালাত ভাইয়ের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। তবে পুলিশ এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কারও সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করেনি।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে উপপরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমানকে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আনিসুর রহমান জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছেন। অপরাধী শনাক্তে আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।
ঘটনার পর এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়নের পশ্চিম ইশ্বরকাঠী গ্রামের দুর্গম বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে ইয়ামিন (৭) নামে দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটিকে হত্যার উদ্দেশ্যে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছে পরিবার। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
ইয়ামিন নলছিটি উপজেলার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বৈচন্ডীপাড় এলাকার বাসিন্দা ও মিশরপ্রবাসী রফিকুল ইসলামের ছেলে।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৩ জুলাই সকাল ১০টার দিকে ইয়ামিন নানাবাড়িতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে দুপুরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সে সেখানে পৌঁছায়নি। এরপর পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় মসজিদে মাইকিং করে তার সন্ধান চান। একপর্যায়ে স্থানীয়দের সহায়তায় পশ্চিম ইশ্বরকাঠী গ্রামের একটি দুর্গম বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের পর শিশুটির গলায় বেল্টের মতো দাগ এবং পিঠে ধারালো কাঁটার আঁচড়ের চিহ্ন দেখা যায়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পরিবারের দাবি, শিশুটির বক্তব্যের ভিত্তিতে তারা সন্দেহ করছেন, ঘটনার সঙ্গে সোহাগ (২৪) নামে ইয়ামিনের এক খালাত ভাইয়ের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। তবে পুলিশ এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কারও সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করেনি।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে উপপরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমানকে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আনিসুর রহমান জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছেন। অপরাধী শনাক্তে আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।
ঘটনার পর এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
