মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে

বাজার স্থিতিশীল রাখতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ভোক্তা অধিদপ্তরের বৈঠক

বাজার স্থিতিশীল রাখতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ভোক্তা অধিদপ্তরের বৈঠক
ছবি : সংগৃহীত

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা ও সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সুপারশপ, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. জহিরুল ইসলাম।

সভায় বাজারে পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, অবৈধ মজুতদারি, কৃত্রিম সংকট, পরিবহন খাতের অনিয়ম, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য এবং সরবরাহ ব্যবস্থার নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় বিএসটিআই, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি, কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), সুপারশপ ও বিভিন্ন বাজারের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

অধিদপ্তরের পরিচালক আতিয়া সুলতানা বলেন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক শান্তির জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। এ জন্য স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও ভোক্তাবান্ধব বাজারব্যবস্থা গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক নয়ন কুমার সাহা বলেন, বাজার তদারকিতে অনেক ব্যবসায়ীর মূল্যতালিকা প্রদর্শন ও ক্রয়রশিদ সংরক্ষণে অনীহা দেখা যায়। তিনি নকল ও ভেজাল পণ্য বিক্রি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

মুক্ত আলোচনায় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার পেছনে পরিবহন খাতের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনাকে অন্যতম কারণ হিসেবে তুলে ধরেন। তারা স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে বাজার তদারকির প্রস্তাব দেন।

ক্যাবের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, বাজার স্থিতিশীল রাখতে পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানো, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ প্রয়োজন।

সভায় বক্তারা বলেন, শুধু জরিমানা বা আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে বাজারে স্থায়ী পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। এজন্য ব্যবসায়ী ও ভোক্তা উভয়ের সচেতনতা, দায়িত্বশীলতা ও নৈতিকতার চর্চা জরুরি।

সরকারি নির্দেশনা অমান্যকারী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে ট্রেড লাইসেন্স বাতিলের কথাও জানানো হয়।

সভায় প্রধান অতিথি মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান ধরে রাখতে ন্যায্য বাজার নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। শুধু জরিমানা নয়, বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও দায়িত্বশীলতা থাকলে আইন প্রয়োগের প্রয়োজন অনেকটাই কমে আসবে।

#ভোক্তা_অধিকার #বাজার_স্থিতিশীলতা #নিত্যপণ্য_মূল্য

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬


বাজার স্থিতিশীল রাখতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ভোক্তা অধিদপ্তরের বৈঠক

প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা ও সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সুপারশপ, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. জহিরুল ইসলাম।

সভায় বাজারে পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, অবৈধ মজুতদারি, কৃত্রিম সংকট, পরিবহন খাতের অনিয়ম, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য এবং সরবরাহ ব্যবস্থার নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় বিএসটিআই, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি, কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), সুপারশপ ও বিভিন্ন বাজারের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

অধিদপ্তরের পরিচালক আতিয়া সুলতানা বলেন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক শান্তির জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। এ জন্য স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও ভোক্তাবান্ধব বাজারব্যবস্থা গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক নয়ন কুমার সাহা বলেন, বাজার তদারকিতে অনেক ব্যবসায়ীর মূল্যতালিকা প্রদর্শন ও ক্রয়রশিদ সংরক্ষণে অনীহা দেখা যায়। তিনি নকল ও ভেজাল পণ্য বিক্রি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

মুক্ত আলোচনায় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার পেছনে পরিবহন খাতের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনাকে অন্যতম কারণ হিসেবে তুলে ধরেন। তারা স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে বাজার তদারকির প্রস্তাব দেন।

ক্যাবের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, বাজার স্থিতিশীল রাখতে পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানো, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ প্রয়োজন।

সভায় বক্তারা বলেন, শুধু জরিমানা বা আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে বাজারে স্থায়ী পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। এজন্য ব্যবসায়ী ও ভোক্তা উভয়ের সচেতনতা, দায়িত্বশীলতা ও নৈতিকতার চর্চা জরুরি।

সরকারি নির্দেশনা অমান্যকারী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে ট্রেড লাইসেন্স বাতিলের কথাও জানানো হয়।

সভায় প্রধান অতিথি মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান ধরে রাখতে ন্যায্য বাজার নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। শুধু জরিমানা নয়, বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও দায়িত্বশীলতা থাকলে আইন প্রয়োগের প্রয়োজন অনেকটাই কমে আসবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত