বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নবগঠিত এডহক কমিটির প্রথম সভা শুক্রবার (১০ জুলাই ২০২৬) সকালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নিজস্ব ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল এবং পদাধিকারবলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস (কাজল)। সভায় নবগঠিত কাউন্সিলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বার কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
এছাড়া বিভিন্ন স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন
এক্সিকিউটিভ কমিটি: ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল
ফাইন্যান্স কমিটি: এ এইচ এম মুশফিকুর রহমান তুহিন
লিগ্যাল এডুকেশন কমিটি: ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী
ল' রিফর্ম কমিটি: মাহফুজুর রহমান মিলন
হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লিগ্যাল এইড কমিটি: মাসুদ আহমেদ তালুকদার
হাউজ কমিটি: মোহাম্মদ হোসেন লিপু
রিলিফ কমিটি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম
রোল অ্যান্ড পাবলিকেশন কমিটি: মোহাম্মদ শিশির মনির
কমপ্লেইন্ট অ্যান্ড ভিজিল্যান্স কমিটি: নাসির উদ্দিন অসীম
সভায় সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেন, দায়িত্ব পালনকালে আইন অনুযায়ী প্রাপ্য ট্রাভেল অ্যালাউন্স, সম্মানী, পারিতোষিক, যাতায়াত ভাতা কিংবা অন্য কোনো আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করবেন না।
এছাড়া বার কাউন্সিলকে আধুনিক, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে পূর্বে গৃহীত বিভিন্ন সংস্কারমূলক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের বিষয়ে একমত হন সদস্যরা।
সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, অতীতে কোনো কাউন্সিল সদস্য আইনগত প্রাপ্যতার অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করে থাকলে তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সেই অর্থ বার কাউন্সিলের কোষাগারে ফেরত দিতে হবে।
এ ছাড়া কাউন্সিলের সভার আপ্যায়নের ব্যয় বার কাউন্সিলের তহবিল থেকে বহন করা হবে না; সদস্যরা পর্যায়ক্রমে নিজ উদ্যোগে এ ব্যয় বহন করবেন।
বার কাউন্সিলের রেস্ট হাউসের ইজারাদারের বকেয়া পাওনা দ্রুত আদায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রয়োজনে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলাসহ আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সভায় জানানো হয়।
সভায় আইনজীবীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা, নিয়মিত এনরোলমেন্ট ও হাইকোর্ট পারমিশন পরীক্ষা আয়োজন, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং আইনজীবীবান্ধব বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়।

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নবগঠিত এডহক কমিটির প্রথম সভা শুক্রবার (১০ জুলাই ২০২৬) সকালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নিজস্ব ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল এবং পদাধিকারবলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস (কাজল)। সভায় নবগঠিত কাউন্সিলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বার কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
এছাড়া বিভিন্ন স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন
এক্সিকিউটিভ কমিটি: ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল
ফাইন্যান্স কমিটি: এ এইচ এম মুশফিকুর রহমান তুহিন
লিগ্যাল এডুকেশন কমিটি: ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী
ল' রিফর্ম কমিটি: মাহফুজুর রহমান মিলন
হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লিগ্যাল এইড কমিটি: মাসুদ আহমেদ তালুকদার
হাউজ কমিটি: মোহাম্মদ হোসেন লিপু
রিলিফ কমিটি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম
রোল অ্যান্ড পাবলিকেশন কমিটি: মোহাম্মদ শিশির মনির
কমপ্লেইন্ট অ্যান্ড ভিজিল্যান্স কমিটি: নাসির উদ্দিন অসীম
সভায় সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেন, দায়িত্ব পালনকালে আইন অনুযায়ী প্রাপ্য ট্রাভেল অ্যালাউন্স, সম্মানী, পারিতোষিক, যাতায়াত ভাতা কিংবা অন্য কোনো আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করবেন না।
এছাড়া বার কাউন্সিলকে আধুনিক, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে পূর্বে গৃহীত বিভিন্ন সংস্কারমূলক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের বিষয়ে একমত হন সদস্যরা।
সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, অতীতে কোনো কাউন্সিল সদস্য আইনগত প্রাপ্যতার অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করে থাকলে তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সেই অর্থ বার কাউন্সিলের কোষাগারে ফেরত দিতে হবে।
এ ছাড়া কাউন্সিলের সভার আপ্যায়নের ব্যয় বার কাউন্সিলের তহবিল থেকে বহন করা হবে না; সদস্যরা পর্যায়ক্রমে নিজ উদ্যোগে এ ব্যয় বহন করবেন।
বার কাউন্সিলের রেস্ট হাউসের ইজারাদারের বকেয়া পাওনা দ্রুত আদায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রয়োজনে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলাসহ আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সভায় জানানো হয়।
সভায় আইনজীবীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা, নিয়মিত এনরোলমেন্ট ও হাইকোর্ট পারমিশন পরীক্ষা আয়োজন, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং আইনজীবীবান্ধব বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়।
