কক্সবাজারের মাতামুহুরি উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হামলায় পশু চিকিৎসক মেহেদী হাসান সাকিব (২৭) মারা গেছেন।
গত ১৫ আগস্ট রাতে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত সাকিব বদরখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাতডালিয়া পাড়ার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট লবণ মাঠে কাজ করার সময় এক শ্রমিকের জুতা হারানোকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এ ঘটনায় সাকিবের ভাইয়ের ওপর প্রথম দফায় হামলার অভিযোগ ওঠে। পরে এলাকায় ফিরে এলে আবারও তার ওপর হামলা চালানো হয় বলে দাবি স্থানীয়দের।
ঘটনার সমাধানে স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হলেও অভিযুক্তরা সেখানে উপস্থিত হয়নি বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
এরপর ১৫ আগস্ট সকালে কাইফু ও ইমনের নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্র, দা, কিরিচ ও লোহার রড নিয়ে সাকিবের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলাকারীরা ঘরে ঢুকে ভাঙচুর ও মারধর করে।
এ ঘটনায় সাকিব ছাড়াও আরফাত (২১) ও মোশাররফ (২৪) আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাকিবের মৃত্যু হয়।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, হামলায় কাইফু, ইমন, রোকন, জীবন, জিহানসহ কয়েকজন জড়িত ছিলেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, স্থানীয় প্রভাবের কারণে অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে বেপরোয়া ছিল। তারা দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
চকরিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে তারা অবগত রয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
কক্সবাজারের মাতামুহুরি উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হামলায় পশু চিকিৎসক মেহেদী হাসান সাকিব (২৭) মারা গেছেন।
গত ১৫ আগস্ট রাতে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত সাকিব বদরখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাতডালিয়া পাড়ার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট লবণ মাঠে কাজ করার সময় এক শ্রমিকের জুতা হারানোকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এ ঘটনায় সাকিবের ভাইয়ের ওপর প্রথম দফায় হামলার অভিযোগ ওঠে। পরে এলাকায় ফিরে এলে আবারও তার ওপর হামলা চালানো হয় বলে দাবি স্থানীয়দের।
ঘটনার সমাধানে স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হলেও অভিযুক্তরা সেখানে উপস্থিত হয়নি বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
এরপর ১৫ আগস্ট সকালে কাইফু ও ইমনের নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্র, দা, কিরিচ ও লোহার রড নিয়ে সাকিবের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলাকারীরা ঘরে ঢুকে ভাঙচুর ও মারধর করে।
এ ঘটনায় সাকিব ছাড়াও আরফাত (২১) ও মোশাররফ (২৪) আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাকিবের মৃত্যু হয়।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, হামলায় কাইফু, ইমন, রোকন, জীবন, জিহানসহ কয়েকজন জড়িত ছিলেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, স্থানীয় প্রভাবের কারণে অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে বেপরোয়া ছিল। তারা দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
চকরিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে তারা অবগত রয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে।
