বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় প্রেমঘটিত পারিবারিক বিরোধের জেরে এক কলেজছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সোমবার ৪ মে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দিগদাইড় ইউনিয়নের দিগদাইড় পিছনপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মরিয়ম আক্তার পলি ২০ ওই এলাকার আব্দুল মালেক পলাশের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পলির প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে অন্যত্র বিয়ের উদ্যোগ নেওয়ার পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে নিজ ঘরের শয়নকক্ষে তিনি গলায় ফাঁস দেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
ঘটনার পর সোনাতলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
থানার ওসি জানান, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
ব্যক্তিগত বা পারিবারিক চাপ কখনোই একা মোকাবিলা করা উচিত নয়। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের বিশ্বস্ত সদস্য, বন্ধু বা পেশাদার সহায়তা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। জীবনের সংকটময় মুহূর্তে কথা বলা অনেক বড় সমাধানের পথ খুলে দিতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় প্রেমঘটিত পারিবারিক বিরোধের জেরে এক কলেজছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সোমবার ৪ মে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দিগদাইড় ইউনিয়নের দিগদাইড় পিছনপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মরিয়ম আক্তার পলি ২০ ওই এলাকার আব্দুল মালেক পলাশের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পলির প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে অন্যত্র বিয়ের উদ্যোগ নেওয়ার পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে নিজ ঘরের শয়নকক্ষে তিনি গলায় ফাঁস দেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
ঘটনার পর সোনাতলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
থানার ওসি জানান, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
ব্যক্তিগত বা পারিবারিক চাপ কখনোই একা মোকাবিলা করা উচিত নয়। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের বিশ্বস্ত সদস্য, বন্ধু বা পেশাদার সহায়তা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। জীবনের সংকটময় মুহূর্তে কথা বলা অনেক বড় সমাধানের পথ খুলে দিতে পারে।
