ফ্রান্সে অনিয়মিত অবস্থায় থাকা এবং ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত বিদেশিদের প্রশাসনিক আটক কেন্দ্র সিআরএ তে রাখার সময়সীমা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ২১০ দিন করার একটি নতুন আইন অনুমোদন করেছে দেশটির সংসদ।
ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি ও সিনেট দুই কক্ষেই বিলটি পাস হওয়ার পর এখন যৌথ কমিশনের মাধ্যমে চূড়ান্ত সমঝোতার দিকে যাচ্ছে ফ্রান্স। নতুন আইনে জননিরাপত্তার জন্য ‘বাস্তব, বর্তমান ও গুরুতর হুমকি’ হিসেবে বিবেচিত বিদেশিদের দীর্ঘ সময় আটক রাখার সুযোগ রাখা হয়েছে।
বর্তমানে এই আটক সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ দিন, আর সন্ত্রাসবাদে দণ্ডিতদের ক্ষেত্রে ১৮০ দিন পর্যন্ত। নতুন আইনে তা বাড়িয়ে ২১০ দিন করা হয়েছে। একইসঙ্গে পুনরায় আটক রাখার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সীমা সাধারণ ক্ষেত্রে ৩৬০ দিন এবং বিশেষ ক্ষেত্রে ৫৪০ দিন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে কারা এই আইনের আওতায় পড়বে এ নিয়ে দুই কক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। সরকার ও ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি কিছু নির্দিষ্ট অপরাধে দণ্ডিতদের অন্তর্ভুক্ত করতে চাইছে, অন্যদিকে সিনেট আরও কঠোর মানদণ্ডের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনটির পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। তবে বামপন্থি দল ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো একে ‘নিরাপত্তাকেন্দ্রিক অতিরিক্ততা’ হিসেবে সমালোচনা করেছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, দীর্ঘ সময় আটক রাখলেও বাস্তবে বহিষ্কারের হার বাড়ছে না; বরং আদালতের সিদ্ধান্তে অনেকেই মুক্তি পাচ্ছেন।

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
ফ্রান্সে অনিয়মিত অবস্থায় থাকা এবং ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত বিদেশিদের প্রশাসনিক আটক কেন্দ্র সিআরএ তে রাখার সময়সীমা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ২১০ দিন করার একটি নতুন আইন অনুমোদন করেছে দেশটির সংসদ।
ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি ও সিনেট দুই কক্ষেই বিলটি পাস হওয়ার পর এখন যৌথ কমিশনের মাধ্যমে চূড়ান্ত সমঝোতার দিকে যাচ্ছে ফ্রান্স। নতুন আইনে জননিরাপত্তার জন্য ‘বাস্তব, বর্তমান ও গুরুতর হুমকি’ হিসেবে বিবেচিত বিদেশিদের দীর্ঘ সময় আটক রাখার সুযোগ রাখা হয়েছে।
বর্তমানে এই আটক সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ দিন, আর সন্ত্রাসবাদে দণ্ডিতদের ক্ষেত্রে ১৮০ দিন পর্যন্ত। নতুন আইনে তা বাড়িয়ে ২১০ দিন করা হয়েছে। একইসঙ্গে পুনরায় আটক রাখার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সীমা সাধারণ ক্ষেত্রে ৩৬০ দিন এবং বিশেষ ক্ষেত্রে ৫৪০ দিন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে কারা এই আইনের আওতায় পড়বে এ নিয়ে দুই কক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। সরকার ও ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি কিছু নির্দিষ্ট অপরাধে দণ্ডিতদের অন্তর্ভুক্ত করতে চাইছে, অন্যদিকে সিনেট আরও কঠোর মানদণ্ডের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনটির পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। তবে বামপন্থি দল ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো একে ‘নিরাপত্তাকেন্দ্রিক অতিরিক্ততা’ হিসেবে সমালোচনা করেছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, দীর্ঘ সময় আটক রাখলেও বাস্তবে বহিষ্কারের হার বাড়ছে না; বরং আদালতের সিদ্ধান্তে অনেকেই মুক্তি পাচ্ছেন।
