রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

শিক্ষক বদলিতে নতুন নীতি, কমবে দুর্নীতি

প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে বড় পরিবর্তন, ক্ষমতা যাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসনের হাতে

প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে বড় পরিবর্তন, ক্ষমতা যাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসনের হাতে
ছবি : সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। দুর্নীতি রোধ এবং বদলি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের বদলির ক্ষমতা স্থানীয় প্রশাসনের হাতে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

রোববার (১৪ জুন) রাজধানীর বনানীতে ইউনিসেফ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বদলির জন্য আবেদনকারীরা সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে আবেদন করবেন। কমিটি প্রতি মাসে সভা করে আবেদনগুলো পর্যালোচনা করবে এবং বদলি অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, অতীতে শিক্ষক বদলিকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়ার পর নতুন নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য শিক্ষা খাতের সব পর্যায়ে দুর্নীতি কমিয়ে আনা।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন ও কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। চার থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের শিক্ষা নিয়ে কাজ করা সব প্রতিষ্ঠানকে এই নীতিমালার আওতায় আনা হবে।

ববি হাজ্জাজ জানান, কারিকুলাম, শিক্ষক, অবকাঠামো ও পরিবেশ এবং ব্যবস্থাপনা এই চারটি বিষয়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বাধ্যতামূলক করা হবে এবং ২০২৮ সালের কারিকুলামে বিষয় দুটি পূর্ণাঙ্গভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

বর্তমানে শিক্ষকদের বদলি নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার পর উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের যাচাই-বাছাই শেষে তা অধিদপ্তরে পাঠানো হয় এবং চূড়ান্ত অনুমোদনের পর বদলি কার্যকর হয়। নতুন ব্যবস্থায় এই প্রক্রিয়া আরও বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

#শিক্ষা_সংবাদ #ববি_হাজ্জাজ #প্রাথমিক_শিক্ষক_বদলি

চেকপোস্ট

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে বড় পরিবর্তন, ক্ষমতা যাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসনের হাতে

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬

featured Image

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। দুর্নীতি রোধ এবং বদলি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের বদলির ক্ষমতা স্থানীয় প্রশাসনের হাতে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

রোববার (১৪ জুন) রাজধানীর বনানীতে ইউনিসেফ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বদলির জন্য আবেদনকারীরা সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে আবেদন করবেন। কমিটি প্রতি মাসে সভা করে আবেদনগুলো পর্যালোচনা করবে এবং বদলি অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, অতীতে শিক্ষক বদলিকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়ার পর নতুন নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য শিক্ষা খাতের সব পর্যায়ে দুর্নীতি কমিয়ে আনা।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন ও কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। চার থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের শিক্ষা নিয়ে কাজ করা সব প্রতিষ্ঠানকে এই নীতিমালার আওতায় আনা হবে।

ববি হাজ্জাজ জানান, কারিকুলাম, শিক্ষক, অবকাঠামো ও পরিবেশ এবং ব্যবস্থাপনা এই চারটি বিষয়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বাধ্যতামূলক করা হবে এবং ২০২৮ সালের কারিকুলামে বিষয় দুটি পূর্ণাঙ্গভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

বর্তমানে শিক্ষকদের বদলি নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার পর উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের যাচাই-বাছাই শেষে তা অধিদপ্তরে পাঠানো হয় এবং চূড়ান্ত অনুমোদনের পর বদলি কার্যকর হয়। নতুন ব্যবস্থায় এই প্রক্রিয়া আরও বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত