বান্দরবানে র্যাব-১৫ এর এক অভিযানে অভিনব কৌশলে পেটের ভেতরে লুকিয়ে রাখা ২১ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় চার মাদক কারবারিকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আটকরা হলেন জিয়াউর রহমান, মো. সাকের, আবু তৈয়ব ও জাফর মিয়া। সোমবার ৪ মে দুপুরে র্যাব-১৫-এর পক্ষ থেকে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার থেকে যাত্রীবাহী বাসে করে বান্দরবান ও চট্টগ্রাম হয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বড় একটি মাদকের চালান পাচার করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহাসড়কের ঠাকুরদিঘী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা পেটের ভেতরে ইয়াবা বহনের কথা স্বীকার করে। পরে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে বিশেষ প্রক্রিয়ায় তাদের শরীর থেকে ২১ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানিয়েছে, আটকরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে এ ধরনের অভিনব কৌশল ব্যবহার করত।
র্যাব-১৫ এর স্কোয়াড্রন লিডার মো. মেহেদী আলম বলেন, মাদক, অপরাধ ও চোরাচালান দমনে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
বান্দরবানে র্যাব-১৫ এর এক অভিযানে অভিনব কৌশলে পেটের ভেতরে লুকিয়ে রাখা ২১ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় চার মাদক কারবারিকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আটকরা হলেন জিয়াউর রহমান, মো. সাকের, আবু তৈয়ব ও জাফর মিয়া। সোমবার ৪ মে দুপুরে র্যাব-১৫-এর পক্ষ থেকে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার থেকে যাত্রীবাহী বাসে করে বান্দরবান ও চট্টগ্রাম হয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বড় একটি মাদকের চালান পাচার করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহাসড়কের ঠাকুরদিঘী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা পেটের ভেতরে ইয়াবা বহনের কথা স্বীকার করে। পরে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে বিশেষ প্রক্রিয়ায় তাদের শরীর থেকে ২১ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানিয়েছে, আটকরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে এ ধরনের অভিনব কৌশল ব্যবহার করত।
র্যাব-১৫ এর স্কোয়াড্রন লিডার মো. মেহেদী আলম বলেন, মাদক, অপরাধ ও চোরাচালান দমনে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
