ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত সুগন্ধা নদী এখন বর্জ্য ও ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় পৌরসভা, বাজার ও আশপাশের এলাকার বর্জ্য নিয়মিত নদীতে ফেলার কারণে নদীর পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের কার্যকর তদারকি না থাকায় প্রকাশ্যেই চলছে নদী দূষণের এ কার্যক্রম।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নলছিটি পৌর এলাকার বাসাবাড়ি, দোকানপাট, পলিথিন, প্লাস্টিক ও বাজারের পচা বর্জ্য নদীর তীরবর্তী এলাকায় ফেলা হচ্ছে।
জোয়ারের পানিতে এসব বর্জ্য ভেসে নদীর বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ছে। এতে নদীর পানিতে দূষণ বাড়ছে এবং দুর্গন্ধে নদীর পাড়ের পরিবেশও অসহনীয় হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একসময় সুগন্ধা নদীর পানি দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হতো। কিন্তু বর্তমানে বর্জ্য ও ময়লা ফেলার কারণে নদীর পানি কালচে ও দূষিত হয়ে গেছে।
দূষিত পানির কারণে চর্মরোগসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ছে বলেও জানান তারা।
পরিবেশবাদীরা বলছেন, নিয়মিত প্লাস্টিক ও বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য নদীতে ফেলার কারণে সুগন্ধা নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।
এর ফলে মাছের প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে এবং দেশীয় অনেক মাছের প্রজাতি হুমকির মুখে পড়ছে।
তারা দ্রুত নদী রক্ষায় নির্দিষ্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা, ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ এবং নদী দূষণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত সুগন্ধা নদী এখন বর্জ্য ও ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় পৌরসভা, বাজার ও আশপাশের এলাকার বর্জ্য নিয়মিত নদীতে ফেলার কারণে নদীর পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের কার্যকর তদারকি না থাকায় প্রকাশ্যেই চলছে নদী দূষণের এ কার্যক্রম।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নলছিটি পৌর এলাকার বাসাবাড়ি, দোকানপাট, পলিথিন, প্লাস্টিক ও বাজারের পচা বর্জ্য নদীর তীরবর্তী এলাকায় ফেলা হচ্ছে।
জোয়ারের পানিতে এসব বর্জ্য ভেসে নদীর বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ছে। এতে নদীর পানিতে দূষণ বাড়ছে এবং দুর্গন্ধে নদীর পাড়ের পরিবেশও অসহনীয় হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একসময় সুগন্ধা নদীর পানি দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হতো। কিন্তু বর্তমানে বর্জ্য ও ময়লা ফেলার কারণে নদীর পানি কালচে ও দূষিত হয়ে গেছে।
দূষিত পানির কারণে চর্মরোগসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ছে বলেও জানান তারা।
পরিবেশবাদীরা বলছেন, নিয়মিত প্লাস্টিক ও বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য নদীতে ফেলার কারণে সুগন্ধা নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।
এর ফলে মাছের প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে এবং দেশীয় অনেক মাছের প্রজাতি হুমকির মুখে পড়ছে।
তারা দ্রুত নদী রক্ষায় নির্দিষ্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা, ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ এবং নদী দূষণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
