মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

৪৮ ঘণ্টা পরও মরেনি ১৫% লার্ভা

নতুন ওষুধে মরেনি মশার লার্ভা, ফেরত পাঠানোর নির্দেশ কেসিসির প্রশাসকের

নতুন ওষুধে মরেনি মশার লার্ভা, ফেরত পাঠানোর নির্দেশ কেসিসির প্রশাসকের
মশার ওষুধে ফেল কেসিসির পরীক্ষায়, ফেরতের নির্দেশ। ছবি : চেকপোস্ট

মান যাচাইয়ের প্রাথমিক পরিক্ষায় ফেল করেছে খুলনা সিটি করপোরেশনে ( কেসিসি) মশক নিধনের জন্য আনা ওষুধ। পরিক্ষামুলক প্রয়োগে নতুন ওষুধে ১৫ শতাংশ মশার লার্ভাও মরেনি। তাৎক্ষনিকভাবে গতকাল সোমবার দুপুরে ঔই ওষুধ ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। 

কীটতত্ত্ববীদদের সহযোগী নিয়ে দ্রুত নতুন ওষুধ কেনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কেসিসি থেকে জানাগেছে, খুলনা মহানগরীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিপদজনক পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ায় মশক নিধন কর্মসুচি জোরদার করেছে কেসিসি। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে মশার লার্ভা নিধনের জন্য নতুন করে ১১৫ জন শ্রমিক নিয়োগ করা হয়েছে। নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন করে শ্রমিক প্রতিদিন ড্রেন, বদ্ধ জলাশয়সহ প্রয়োজনীয় স্থানে মশার লার্ভা নিধনে কাজ করছে। 

এছাড়া কেসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের শ্রমিকরা ৩১টি ওয়ার্ডে একযোগে ফগার মেশিন দিয়ে উড়ন্ত মশা নিধন এবং ওয়াসার ম্যানহোলে লাইট ডিজেল ওয়েল বা কালো তেল ছিটাচ্ছে। আগামী সপ্তাহে এই কার্যক্রম আরোও জোরদারের পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে। এ অবস্থায় মশক নিধনের জন্য তিন হাজার লিটার অ্যাডাল্টি সাইট এবং দুই হাজার লিটার লার্ভি সাইট কেনা হয়। সুত্রটি জানায়, গত শনিবার কীটতত্ত্ববিদ, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সামনে মশার ওষুধের মান পরিক্ষা করেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। 

ঔইদিন একটি পাত্রে মশার লার্ভার ওপর ঔষুধ প্রয়োগ করে বদ্ধ ঘরে ৪৮ ঘন্টা রাখা হয়। একই সঙ্গে নতুন কেনা ওষুধ পরিক্ষার জন্য দেশের খ্যাতনামা তিনটি পরিক্ষাগারে পাঠানো হয়। গতকাল সোমবার দুপুরে সেই পাত্র পরিক্ষা করে দেখা যায়, ১৫ শতাংশ লার্ভা এখনোও মারা যায়নি। কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ২৪ থেকে ৭২ ঘন্টার মধ্যে বেশিরভাগ লার্ভা মারা যাওয়ার কথা। কিন্তু ৪৮ ঘন্টা পরও ১৫ শতাংশ লার্ভা মরেনি।

#খুলনা_সিটি_করপোরেশন #ডেঙ্গু #মশার_ওষুধ

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


নতুন ওষুধে মরেনি মশার লার্ভা, ফেরত পাঠানোর নির্দেশ কেসিসির প্রশাসকের

প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

মান যাচাইয়ের প্রাথমিক পরিক্ষায় ফেল করেছে খুলনা সিটি করপোরেশনে ( কেসিসি) মশক নিধনের জন্য আনা ওষুধ। পরিক্ষামুলক প্রয়োগে নতুন ওষুধে ১৫ শতাংশ মশার লার্ভাও মরেনি। তাৎক্ষনিকভাবে গতকাল সোমবার দুপুরে ঔই ওষুধ ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। 

কীটতত্ত্ববীদদের সহযোগী নিয়ে দ্রুত নতুন ওষুধ কেনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কেসিসি থেকে জানাগেছে, খুলনা মহানগরীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিপদজনক পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ায় মশক নিধন কর্মসুচি জোরদার করেছে কেসিসি। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে মশার লার্ভা নিধনের জন্য নতুন করে ১১৫ জন শ্রমিক নিয়োগ করা হয়েছে। নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন করে শ্রমিক প্রতিদিন ড্রেন, বদ্ধ জলাশয়সহ প্রয়োজনীয় স্থানে মশার লার্ভা নিধনে কাজ করছে। 

এছাড়া কেসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের শ্রমিকরা ৩১টি ওয়ার্ডে একযোগে ফগার মেশিন দিয়ে উড়ন্ত মশা নিধন এবং ওয়াসার ম্যানহোলে লাইট ডিজেল ওয়েল বা কালো তেল ছিটাচ্ছে। আগামী সপ্তাহে এই কার্যক্রম আরোও জোরদারের পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে। এ অবস্থায় মশক নিধনের জন্য তিন হাজার লিটার অ্যাডাল্টি সাইট এবং দুই হাজার লিটার লার্ভি সাইট কেনা হয়। সুত্রটি জানায়, গত শনিবার কীটতত্ত্ববিদ, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সামনে মশার ওষুধের মান পরিক্ষা করেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। 

ঔইদিন একটি পাত্রে মশার লার্ভার ওপর ঔষুধ প্রয়োগ করে বদ্ধ ঘরে ৪৮ ঘন্টা রাখা হয়। একই সঙ্গে নতুন কেনা ওষুধ পরিক্ষার জন্য দেশের খ্যাতনামা তিনটি পরিক্ষাগারে পাঠানো হয়। গতকাল সোমবার দুপুরে সেই পাত্র পরিক্ষা করে দেখা যায়, ১৫ শতাংশ লার্ভা এখনোও মারা যায়নি। কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ২৪ থেকে ৭২ ঘন্টার মধ্যে বেশিরভাগ লার্ভা মারা যাওয়ার কথা। কিন্তু ৪৮ ঘন্টা পরও ১৫ শতাংশ লার্ভা মরেনি।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত