মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

তদন্তে নেমেছে পুলিশ

ধামইরহাটে জমি বিরোধে সংঘর্ষ, হামলা-চাঁদা দাবির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

ধামইরহাটে জমি বিরোধে সংঘর্ষ, হামলা-চাঁদা দাবির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
ছবি : চেকপোস্ট

নওগাঁর ধামইরহাটে জমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, হামলা, চাঁদা দাবি ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুই পক্ষই থানায় পাল্টাপাল্টি এজাহার দায়ের করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী পরিবার ও থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ধামইরহাট উপজেলার ১নং ধামইরহাট ইউনিয়নের আঙ্গরত কলোনী গ্রামের মো. হেল্লাল হোসেনের (৫০) সঙ্গে সাফারুল ইসলামের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

হেল্লাল হোসেনের অভিযোগ, বিরোধপূর্ণ জমি দখলের চেষ্টা এবং বিভিন্ন সময় টাকা দাবির ঘটনা ঘটেছে। তার দাবি, সম্প্রতি প্রতিপক্ষের মো. চপুল হোসেন মোবাইল ফোনে ১৫ লাখ টাকা দাবি করে ভয়ভীতি ও হুমকি দেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১ মে ২০২৬ তারিখে বিরোধপূর্ণ জমিতে আম গাছের চারা রোপণ করতে গেলে হেল্লাল হোসেন বাধা দেন। এর পরদিন ২ মে দুপুরে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র, বাঁশের লাঠি ও লোহার রড নিয়ে তার বাড়ির সামনে এসে হামলা চালায়।

এ ঘটনায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মো. বিপ্লব হোসেন, হেল্লাল হোসেন, মো. রনি ও মোছা. জহুরা বেগম আহত হন। পরে তাদের ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে কয়েকজনকে জয়পুরহাট জেলা হাসপাতাল ও বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শাজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় হেল্লাল হোসেন বাদী হয়ে ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে ধামইরহাট থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন।

অন্যদিকে, সাফারুল ইসলামও হেল্লাল হোসেনের পক্ষের বিরুদ্ধে থানায় পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছেন। তার অভিযোগে কোরবান আলী নামে এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযুক্ত কোরবান আলী দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না এবং নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে তিনি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।

সাফারুল ইসলাম মোবাইল ফোনে জানান, হেল্লাল হোসেনের করা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বরং হেল্লালই আমার বাড়িতে গিয়ে ভাঙচুর ও তছনছ করেছে।

এ বিষয়ে ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিন্টু রহমান বলেন, উভয় পক্ষের বিরোধ ও এজাহারের বিষয়টি জানা গেছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

#জমি_বিরোধ #ধামইরহাট_সংবাদ #পুলিশ_তদন্ত

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬


ধামইরহাটে জমি বিরোধে সংঘর্ষ, হামলা-চাঁদা দাবির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নওগাঁর ধামইরহাটে জমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, হামলা, চাঁদা দাবি ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুই পক্ষই থানায় পাল্টাপাল্টি এজাহার দায়ের করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী পরিবার ও থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ধামইরহাট উপজেলার ১নং ধামইরহাট ইউনিয়নের আঙ্গরত কলোনী গ্রামের মো. হেল্লাল হোসেনের (৫০) সঙ্গে সাফারুল ইসলামের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

হেল্লাল হোসেনের অভিযোগ, বিরোধপূর্ণ জমি দখলের চেষ্টা এবং বিভিন্ন সময় টাকা দাবির ঘটনা ঘটেছে। তার দাবি, সম্প্রতি প্রতিপক্ষের মো. চপুল হোসেন মোবাইল ফোনে ১৫ লাখ টাকা দাবি করে ভয়ভীতি ও হুমকি দেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১ মে ২০২৬ তারিখে বিরোধপূর্ণ জমিতে আম গাছের চারা রোপণ করতে গেলে হেল্লাল হোসেন বাধা দেন। এর পরদিন ২ মে দুপুরে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র, বাঁশের লাঠি ও লোহার রড নিয়ে তার বাড়ির সামনে এসে হামলা চালায়।

এ ঘটনায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মো. বিপ্লব হোসেন, হেল্লাল হোসেন, মো. রনি ও মোছা. জহুরা বেগম আহত হন। পরে তাদের ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে কয়েকজনকে জয়পুরহাট জেলা হাসপাতাল ও বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শাজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় হেল্লাল হোসেন বাদী হয়ে ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে ধামইরহাট থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন।

অন্যদিকে, সাফারুল ইসলামও হেল্লাল হোসেনের পক্ষের বিরুদ্ধে থানায় পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছেন। তার অভিযোগে কোরবান আলী নামে এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযুক্ত কোরবান আলী দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না এবং নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে তিনি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।

সাফারুল ইসলাম মোবাইল ফোনে জানান, হেল্লাল হোসেনের করা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বরং হেল্লালই আমার বাড়িতে গিয়ে ভাঙচুর ও তছনছ করেছে।

এ বিষয়ে ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিন্টু রহমান বলেন, উভয় পক্ষের বিরোধ ও এজাহারের বিষয়টি জানা গেছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত