শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

ঐতিহ্য ধরে জীবিকার সংগ্রামে মাঝি রসুল খান

দিন বদলেছে, মাঝি বদলেছে; থামেনি বর্ণি বাওড়ের খেয়া পারাপার

দিন বদলেছে, মাঝি বদলেছে; থামেনি বর্ণি বাওড়ের খেয়া পারাপার
ছবি : চেকপোস্ট

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বর্ণি বাওড়ে সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু বদলেছে, বদলেছে মাঝিও। তবে থেমে নেই শতবর্ষের খেয়া নৌকার পারাপার। আজও স্থানীয় মানুষের যাতায়াতের অন্যতম ভরসা এই খেয়া নৌকাই।

বর্ণি ইউনিয়নের বাসিন্দা ও বাকপ্রতিবন্ধী মো. রসুল খান দীর্ঘদিন ধরে খেয়া নৌকা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। প্রতিদিন যাত্রী পারাপার করে তার গড় আয় হয় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। প্রতিজন যাত্রীর কাছ থেকে নেওয়া হয় ১০ টাকা ভাড়া। সপ্তাহে দুই দিন কুশলী হাট বসায় ওই দিনগুলোতে যাত্রী বেশি হওয়ায় তার আয়ও কিছুটা বেড়ে যায়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে এই খেয়াঘাটে কালাম শেখ, হাশেম ও কায়সারসহ একাধিক মাঝি নৌকা চালিয়েছেন। বর্তমানে রসুল খান একাই নিয়মিত এই দায়িত্ব পালন করছেন।

মধুমতী নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে সৃষ্টি হওয়া বর্ণি বাওড় শুধু একটি জলাভূমিই নয়, এটি বর্ণি ও কুশলী ইউনিয়নের মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। পাশাপাশি দেশীয় মাছের সমৃদ্ধ আবাসস্থল এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই বাওড় এলাকার অন্যতম ঐতিহ্যও বহন করে চলেছে।

প্রযুক্তির এই আধুনিক যুগেও বর্ণি বাওড়ের খেয়া নৌকা টিকিয়ে রেখেছে শতবর্ষের ঐতিহ্য। আর সেই ঐতিহ্য ও জীবিকার চাকা সচল রাখতে প্রতিদিন বৈঠা হাতে সংগ্রাম করে চলেছেন মাঝি মো. রসুল খান।

#টুঙ্গিপাড়া #খেয়ানৌকা #বর্ণিবাওড়

চেকপোস্ট

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬


দিন বদলেছে, মাঝি বদলেছে; থামেনি বর্ণি বাওড়ের খেয়া পারাপার

প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬

featured Image

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বর্ণি বাওড়ে সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু বদলেছে, বদলেছে মাঝিও। তবে থেমে নেই শতবর্ষের খেয়া নৌকার পারাপার। আজও স্থানীয় মানুষের যাতায়াতের অন্যতম ভরসা এই খেয়া নৌকাই।

বর্ণি ইউনিয়নের বাসিন্দা ও বাকপ্রতিবন্ধী মো. রসুল খান দীর্ঘদিন ধরে খেয়া নৌকা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। প্রতিদিন যাত্রী পারাপার করে তার গড় আয় হয় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। প্রতিজন যাত্রীর কাছ থেকে নেওয়া হয় ১০ টাকা ভাড়া। সপ্তাহে দুই দিন কুশলী হাট বসায় ওই দিনগুলোতে যাত্রী বেশি হওয়ায় তার আয়ও কিছুটা বেড়ে যায়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে এই খেয়াঘাটে কালাম শেখ, হাশেম ও কায়সারসহ একাধিক মাঝি নৌকা চালিয়েছেন। বর্তমানে রসুল খান একাই নিয়মিত এই দায়িত্ব পালন করছেন।

মধুমতী নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে সৃষ্টি হওয়া বর্ণি বাওড় শুধু একটি জলাভূমিই নয়, এটি বর্ণি ও কুশলী ইউনিয়নের মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। পাশাপাশি দেশীয় মাছের সমৃদ্ধ আবাসস্থল এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই বাওড় এলাকার অন্যতম ঐতিহ্যও বহন করে চলেছে।

প্রযুক্তির এই আধুনিক যুগেও বর্ণি বাওড়ের খেয়া নৌকা টিকিয়ে রেখেছে শতবর্ষের ঐতিহ্য। আর সেই ঐতিহ্য ও জীবিকার চাকা সচল রাখতে প্রতিদিন বৈঠা হাতে সংগ্রাম করে চলেছেন মাঝি মো. রসুল খান।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত