সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

৪৪ গেট খুলতেই শুরু নতুন ভাঙন

তিস্তা নদীতে ১৪ লাখ টাকার বাঁশের পাইলিং ধসে গেল, ফের ভাঙন আতঙ্ক

তিস্তা নদীতে ১৪ লাখ টাকার বাঁশের পাইলিং ধসে গেল, ফের ভাঙন আতঙ্ক
ছবি : চেকপোস্ট

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তা নদীর ভাঙনে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর নির্মিত ১৪ লাখ টাকার বাঁশের পাইলিং প্রথম বন্যার পানিতেই ভেঙে পড়েছে। এতে আবারও বাঁধ এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছর প্রায় ১০০ মিটার সেতু রক্ষা বাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়। পরে এলজিইডি বাঁধ রক্ষায় বাঁশের পাইলিং নির্মাণ করে। তবে ডালিয়া পানি নিয়ন্ত্রণ ব্যারেজের ৪৪টি গেট খুলে দেওয়ার পর তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও নতুন করে ভাঙন শুরু হয়। শেষ খবর অনুযায়ী প্রায় ২০ মিটার এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে ৩৫ ফুট গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু ও রংপুর–লালমনিরহাট আঞ্চলিক সড়ক মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে। প্রতিদিন ৩০–৩৫ হাজার মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। পাশাপাশি লহ্মীটারী ইউনিয়নের তিন গ্রামের প্রায় ১,২০০ পরিবারও হুমকির মুখে রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সামান্য পানির চাপেই ভাঙন শুরু হওয়ায় তারা আতঙ্কে রয়েছেন। ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও কৃষকরাও দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে যোগাযোগ ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অভিযোগ করেন, এই বাঁশের পাইলিং কার্যকর ছিল না এবং সরকারি অর্থ অপচয় হয়েছে। এলজিইডি কর্মকর্তারা জানান, বিশেষজ্ঞ দলের নির্দেশনায় কাজটি করা হয়েছিল এবং বিষয়টি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানিয়েছেন, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত জরুরি পদক্ষেপ না নিলে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু ও আঞ্চলিক সড়ক বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে।

#রংপুর #তিস্তা #ভাঙন

চেকপোস্ট

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬


তিস্তা নদীতে ১৪ লাখ টাকার বাঁশের পাইলিং ধসে গেল, ফের ভাঙন আতঙ্ক

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬

featured Image

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তা নদীর ভাঙনে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর নির্মিত ১৪ লাখ টাকার বাঁশের পাইলিং প্রথম বন্যার পানিতেই ভেঙে পড়েছে। এতে আবারও বাঁধ এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছর প্রায় ১০০ মিটার সেতু রক্ষা বাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়। পরে এলজিইডি বাঁধ রক্ষায় বাঁশের পাইলিং নির্মাণ করে। তবে ডালিয়া পানি নিয়ন্ত্রণ ব্যারেজের ৪৪টি গেট খুলে দেওয়ার পর তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও নতুন করে ভাঙন শুরু হয়। শেষ খবর অনুযায়ী প্রায় ২০ মিটার এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে ৩৫ ফুট গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু ও রংপুর–লালমনিরহাট আঞ্চলিক সড়ক মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে। প্রতিদিন ৩০–৩৫ হাজার মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। পাশাপাশি লহ্মীটারী ইউনিয়নের তিন গ্রামের প্রায় ১,২০০ পরিবারও হুমকির মুখে রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সামান্য পানির চাপেই ভাঙন শুরু হওয়ায় তারা আতঙ্কে রয়েছেন। ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও কৃষকরাও দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে যোগাযোগ ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অভিযোগ করেন, এই বাঁশের পাইলিং কার্যকর ছিল না এবং সরকারি অর্থ অপচয় হয়েছে। এলজিইডি কর্মকর্তারা জানান, বিশেষজ্ঞ দলের নির্দেশনায় কাজটি করা হয়েছিল এবং বিষয়টি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানিয়েছেন, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত জরুরি পদক্ষেপ না নিলে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু ও আঞ্চলিক সড়ক বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত