শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

দেওয়া হলো জরুরি সহায়তা

তিস্তার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫ পরিবার পেল টিন-টাকা-খাদ্য সহায়তা

তিস্তার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫ পরিবার পেল টিন-টাকা-খাদ্য সহায়তা
ছবি : চেকপোস্ট

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নে তিস্তা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫টি পরিবারের মাঝে ঢেউটিন, নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর হাতে এসব সহায়তা তুলে দেন গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার।

সহায়তার মধ্যে প্রতিটি পরিবারকে দেওয়া হয় এক বান্ডিল ঢেউটিন, নগদ ৫ হাজার টাকা এবং প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া, গঙ্গাচড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছবুর, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাঈদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি চান সরকার, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম এবং নোহালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ আলী।

ইউএনও জেসমিন আক্তার বলেন, “তিস্তার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা করে সরকারি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ভাঙনকবলিত মানুষের পাশে প্রশাসন রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নোহালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তিস্তার ভাঙনে বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় নদীতীরবর্তী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসী দ্রুত ভাঙনরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

#নদীভাঙন #তিস্তা_নদী #রংপুর_খবর

চেকপোস্ট

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬


তিস্তার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫ পরিবার পেল টিন-টাকা-খাদ্য সহায়তা

প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬

featured Image

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নে তিস্তা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫টি পরিবারের মাঝে ঢেউটিন, নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর হাতে এসব সহায়তা তুলে দেন গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার।

সহায়তার মধ্যে প্রতিটি পরিবারকে দেওয়া হয় এক বান্ডিল ঢেউটিন, নগদ ৫ হাজার টাকা এবং প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া, গঙ্গাচড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছবুর, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাঈদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি চান সরকার, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম এবং নোহালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ আলী।

ইউএনও জেসমিন আক্তার বলেন, “তিস্তার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা করে সরকারি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ভাঙনকবলিত মানুষের পাশে প্রশাসন রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নোহালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তিস্তার ভাঙনে বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় নদীতীরবর্তী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসী দ্রুত ভাঙনরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত