দীর্ঘ প্রায় দেড় বছরের টানাপোড়েনের পর আবারও পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম চালুর পথে এগোচ্ছে ঢাকা ও দিল্লি। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সব শ্রেণির ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভিসা কার্যক্রম চালু করেছে। একইভাবে ভারতও আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ধাপে ধাপে ভিসা কার্যক্রম পুনরায় শুরু করবে।
গত মাসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি ভারতের উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় ভিসা প্রক্রিয়া স্বাভাবিক করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বর্তমানে ভারতের ভিসা কেন্দ্রগুলো খোলা থাকলেও প্রক্রিয়াটি সীমিতভাবে চলছে।
ভারতীয় সরকারি সূত্র জানায়, নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে গত বছর ভিসা কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দিলেও তা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। জরুরি চিকিৎসা ও পারিবারিক ভিসা নিয়মিতভাবে বিবেচনা করা হয়েছে।
এদিকে বাংলাদেশ হাইকমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালুর পর গত দুই মাসে ১৩ হাজারের বেশি ভারতীয় ভিসা ইস্যু করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পর্যটন, ব্যবসা ও চিকিৎসা ভিসা।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতের বিদেশি পর্যটকের একটি বড় অংশ আসে বাংলাদেশ থেকে। ২০২৩ সালে প্রায় ২১ লাখ বাংলাদেশি ভারত ভ্রমণ করলেও ২০২৪ সালে এই সংখ্যা কিছুটা কমে যায়।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক হলে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক, পর্যটন ও বাণিজ্য আরও শক্তিশালী হবে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
দীর্ঘ প্রায় দেড় বছরের টানাপোড়েনের পর আবারও পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম চালুর পথে এগোচ্ছে ঢাকা ও দিল্লি। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সব শ্রেণির ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভিসা কার্যক্রম চালু করেছে। একইভাবে ভারতও আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ধাপে ধাপে ভিসা কার্যক্রম পুনরায় শুরু করবে।
গত মাসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি ভারতের উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় ভিসা প্রক্রিয়া স্বাভাবিক করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বর্তমানে ভারতের ভিসা কেন্দ্রগুলো খোলা থাকলেও প্রক্রিয়াটি সীমিতভাবে চলছে।
ভারতীয় সরকারি সূত্র জানায়, নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে গত বছর ভিসা কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দিলেও তা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। জরুরি চিকিৎসা ও পারিবারিক ভিসা নিয়মিতভাবে বিবেচনা করা হয়েছে।
এদিকে বাংলাদেশ হাইকমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালুর পর গত দুই মাসে ১৩ হাজারের বেশি ভারতীয় ভিসা ইস্যু করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পর্যটন, ব্যবসা ও চিকিৎসা ভিসা।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতের বিদেশি পর্যটকের একটি বড় অংশ আসে বাংলাদেশ থেকে। ২০২৩ সালে প্রায় ২১ লাখ বাংলাদেশি ভারত ভ্রমণ করলেও ২০২৪ সালে এই সংখ্যা কিছুটা কমে যায়।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক হলে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক, পর্যটন ও বাণিজ্য আরও শক্তিশালী হবে।
