তৃণমূল কংগ্রেসের প্রভাবশালী নেতা ফিরহাদ হাকিম মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করার পর ভেঙে দেওয়া হয়েছে কলকাতা পৌরসভার বোর্ড। পৌরসভার নতুন মেয়র নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কমিশনার স্মিতা পাণ্ডেকে।
সোমবার (৮ জুন) পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্য সচিব স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
এর আগে গত শুক্রবার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন ফিরহাদ হাকিম। এরপর নতুন মেয়র নির্বাচনের বিষয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও তৃণমূল কংগ্রেস নতুন নাম ঘোষণা করতে পারেনি।
এই পরিস্থিতিতে পৌরসভার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে বোর্ড ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১৯৮০ সালের কলকাতা পৌরসভা আইনের ১১৭(১) ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো পৌরসভা তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয় বা প্রশাসনিক অচলাবস্থা তৈরি হয়, তাহলে রাজ্য সরকার তাকে ভেঙে প্রশাসক নিয়োগ করতে পারে।
নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নাগরিক পরিষেবা অব্যাহত রাখতে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্মিতা পাণ্ডে, যিনি মেয়রের সমমর্যাদায় দায়িত্বে থাকবেন যতদিন না নতুন পৌর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
তৃণমূল কংগ্রেসের প্রভাবশালী নেতা ফিরহাদ হাকিম মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করার পর ভেঙে দেওয়া হয়েছে কলকাতা পৌরসভার বোর্ড। পৌরসভার নতুন মেয়র নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কমিশনার স্মিতা পাণ্ডেকে।
সোমবার (৮ জুন) পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্য সচিব স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
এর আগে গত শুক্রবার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন ফিরহাদ হাকিম। এরপর নতুন মেয়র নির্বাচনের বিষয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও তৃণমূল কংগ্রেস নতুন নাম ঘোষণা করতে পারেনি।
এই পরিস্থিতিতে পৌরসভার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে বোর্ড ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১৯৮০ সালের কলকাতা পৌরসভা আইনের ১১৭(১) ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো পৌরসভা তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয় বা প্রশাসনিক অচলাবস্থা তৈরি হয়, তাহলে রাজ্য সরকার তাকে ভেঙে প্রশাসক নিয়োগ করতে পারে।
নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নাগরিক পরিষেবা অব্যাহত রাখতে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্মিতা পাণ্ডে, যিনি মেয়রের সমমর্যাদায় দায়িত্বে থাকবেন যতদিন না নতুন পৌর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
