ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাত বন্ধের ইঙ্গিতের খবরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে তেলের দামে বড় পতন দেখা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কিছুটা কমার আশায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।
সোমবার (৮ জুন) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) ক্রুড তেলের দাম প্রায় ৭ শতাংশ কমে ৯০ দশমিক ৮০ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে সকালে এই দাম প্রায় ৯৪ দশমিক ৪৫ ডলারে পৌঁছেছিল।
অয়েল প্রাইস ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দামও প্রায় ৩ শতাংশ কমে ৯৪ ডলারের কাছাকাছি নেমে আসে। এর আগে সকালে এটি ব্যারেলপ্রতি ৯৭ ডলারেরও বেশি ছিল বলে জানিয়েছে আলজাজিরা।
ঘটনার পেছনে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা বন্ধের ঘোষণা এবং ইসরায়েলের পাল্টা প্রতিক্রিয়া স্থগিতের কূটনৈতিক বার্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি অব্যাহত রেখেছে।
গত এপ্রিলে যুদ্ধবিরতির পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে বারবার উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় জ্বালানি তেলের বাজারে ব্যাপক ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহ ধরেই প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ৯৫ ডলারের আশপাশে ঘোরাফেরা করছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হলে তেলের দামে এই অস্থিরতা অব্যাহত থাকতে পারে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাত বন্ধের ইঙ্গিতের খবরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে তেলের দামে বড় পতন দেখা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কিছুটা কমার আশায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।
সোমবার (৮ জুন) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) ক্রুড তেলের দাম প্রায় ৭ শতাংশ কমে ৯০ দশমিক ৮০ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে সকালে এই দাম প্রায় ৯৪ দশমিক ৪৫ ডলারে পৌঁছেছিল।
অয়েল প্রাইস ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দামও প্রায় ৩ শতাংশ কমে ৯৪ ডলারের কাছাকাছি নেমে আসে। এর আগে সকালে এটি ব্যারেলপ্রতি ৯৭ ডলারেরও বেশি ছিল বলে জানিয়েছে আলজাজিরা।
ঘটনার পেছনে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলা বন্ধের ঘোষণা এবং ইসরায়েলের পাল্টা প্রতিক্রিয়া স্থগিতের কূটনৈতিক বার্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি অব্যাহত রেখেছে।
গত এপ্রিলে যুদ্ধবিরতির পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে বারবার উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় জ্বালানি তেলের বাজারে ব্যাপক ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহ ধরেই প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ৯৫ ডলারের আশপাশে ঘোরাফেরা করছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হলে তেলের দামে এই অস্থিরতা অব্যাহত থাকতে পারে।
