ভারতের মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপালে মুসলিম সম্প্রদায় ও নারীদের নিয়ে বিজেপি বিধায়ক রামেশ্বর শর্মার মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ‘গরবা’ উৎসবকে কেন্দ্র করে দেওয়া ওই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে কংগ্রেস ও এআইএমআইএম।
ভোপালের ‘হুজুর’ বিধানসভা এলাকায় সম্প্রতি এক জনসভায় কথিত ‘লাভ জিহাদ’-এর প্রসঙ্গ তুলে রামেশ্বর শর্মা বলেন, মুসলিম যুবকদের একা গরবা অনুষ্ঠানে আসা উচিত নয়। তারা এলে নিজেদের পরিবারের বোন ও মেয়েদেরও সঙ্গে নিয়ে আসুক। এরপর তিনি বলেন, ‘আমাদের ছেলেরাও প্রস্তুত রয়েছে।’ তার এই বক্তব্যের পর সমর্থকদের উল্লাস করতে দেখা যায়।
গরবা ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় উৎসব। বিশেষ করে গুজরাট ও মধ্যভারতে নবরাত্রির নয় দিন রাতে ব্যাপক আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই ঐতিহ্যবাহী নৃত্য উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
বিজেপি বিধায়কের বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা শুরু হয়। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, এমন বক্তব্যের মাধ্যমে ধর্মীয় মেরুকরণ উসকে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং মুসলিম সম্প্রদায়কে আক্রমণ করা হয়েছে।
ভোপাল সেন্ট্রালের কংগ্রেস বিধায়ক আরিফ মাসুদ রামেশ্বর শর্মার মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের ভাষা অত্যন্ত আপত্তিকর। সাধারণ মুসলমানেরা গরবা অনুষ্ঠানে যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এআইএমআইএমের মধ্যপ্রদেশ সভাপতি মহসিন আলী খানও বিজেপি বিধায়কের বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন। তিনি রামেশ্বর শর্মাকে সংবিধান পড়ার পরামর্শ দিয়ে প্রশ্ন তোলেন, মুসলিমদের বোন-মেয়েদের গরবায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হলে বিজেপির মুসলিম নেতারা নিজেদের পরিবারের সদস্যদের সেখানে নিয়ে যাবেন কি না।
এদিকে নাগরিক সমাজ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বক্তব্যটি নিয়ে সমালোচনা চলছে। সমালোচকদের মতে, নারীদের প্রসঙ্গকে ধর্মীয় বিরোধের সঙ্গে যুক্ত করে এমন বক্তব্য সামাজিক বিভাজন আরও বাড়াতে পারে।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভারতের মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপালে মুসলিম সম্প্রদায় ও নারীদের নিয়ে বিজেপি বিধায়ক রামেশ্বর শর্মার মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ‘গরবা’ উৎসবকে কেন্দ্র করে দেওয়া ওই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে কংগ্রেস ও এআইএমআইএম।
ভোপালের ‘হুজুর’ বিধানসভা এলাকায় সম্প্রতি এক জনসভায় কথিত ‘লাভ জিহাদ’-এর প্রসঙ্গ তুলে রামেশ্বর শর্মা বলেন, মুসলিম যুবকদের একা গরবা অনুষ্ঠানে আসা উচিত নয়। তারা এলে নিজেদের পরিবারের বোন ও মেয়েদেরও সঙ্গে নিয়ে আসুক। এরপর তিনি বলেন, ‘আমাদের ছেলেরাও প্রস্তুত রয়েছে।’ তার এই বক্তব্যের পর সমর্থকদের উল্লাস করতে দেখা যায়।
গরবা ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় উৎসব। বিশেষ করে গুজরাট ও মধ্যভারতে নবরাত্রির নয় দিন রাতে ব্যাপক আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই ঐতিহ্যবাহী নৃত্য উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
বিজেপি বিধায়কের বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা শুরু হয়। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, এমন বক্তব্যের মাধ্যমে ধর্মীয় মেরুকরণ উসকে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং মুসলিম সম্প্রদায়কে আক্রমণ করা হয়েছে।
ভোপাল সেন্ট্রালের কংগ্রেস বিধায়ক আরিফ মাসুদ রামেশ্বর শর্মার মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের ভাষা অত্যন্ত আপত্তিকর। সাধারণ মুসলমানেরা গরবা অনুষ্ঠানে যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এআইএমআইএমের মধ্যপ্রদেশ সভাপতি মহসিন আলী খানও বিজেপি বিধায়কের বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন। তিনি রামেশ্বর শর্মাকে সংবিধান পড়ার পরামর্শ দিয়ে প্রশ্ন তোলেন, মুসলিমদের বোন-মেয়েদের গরবায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হলে বিজেপির মুসলিম নেতারা নিজেদের পরিবারের সদস্যদের সেখানে নিয়ে যাবেন কি না।
এদিকে নাগরিক সমাজ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বক্তব্যটি নিয়ে সমালোচনা চলছে। সমালোচকদের মতে, নারীদের প্রসঙ্গকে ধর্মীয় বিরোধের সঙ্গে যুক্ত করে এমন বক্তব্য সামাজিক বিভাজন আরও বাড়াতে পারে।
