ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ণ কাটিপাড়া ট্রলার ঘাট ও শ্রীরামপুর সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে বেহাল হয়ে পড়েছে। তীব্র নদী ও খালভাঙনে সড়ক ও ট্রলার ঘাটের সংযোগস্থল ক্রমেই বিলীন হচ্ছে। এতে যেকোনো সময় ওই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে সড়কটির পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। পিচ্ছিল ও ভাঙাচোরা রাস্তায় চলাচলের সময় সাধারণ মানুষ, বয়োবৃদ্ধ ও স্কুলগামী শিশুরা প্রায়ই দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পড়ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক সময় পা পিছলে পাশের খালে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে।
সড়ক যোগাযোগের বেহাল অবস্থার কারণে জরুরি রোগী পরিবহনেও চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা। তাদের দাবি, গুরুতর অসুস্থ রোগীকে দ্রুত নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল কিংবা বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী নিয়ে যেতে হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কাটিপাড়া ট্রলার ঘাট ও শ্রীরামপুর সড়ক দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ নলছিটি শহরে যাতায়াত করেন। কিন্তু নদী ও খালের ভাঙনে সড়কটি ক্রমেই সরু ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে।
বর্ষা শুরু হলে সড়কের খানাখন্দে পানি ও কাদা জমে চলাচল আরও কঠিন হয়ে যায়। এতে শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের পাশাপাশি যানবাহন চলাচলেও নানা সমস্যা দেখা দেয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষকরা জানান, শুকনো মৌসুমে কোনোভাবে চলাচল করা গেলেও বর্ষায় সড়কটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। কাদা-পানিতে পোশাক নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহাল দশা ও ভাঙন অব্যাহত থাকলেও স্থায়ী সংস্কার কিংবা ভাঙনরোধে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। অথচ এই সড়ক ও ঘাটটি স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর দাবি, সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমানো, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং জরুরি রোগী পরিবহনের সুবিধার্থে কাটিপাড়া ট্রলার ঘাট ও শ্রীরামপুর সড়ক দ্রুত স্থায়ীভাবে সংস্কার এবং নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ণ কাটিপাড়া ট্রলার ঘাট ও শ্রীরামপুর সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে বেহাল হয়ে পড়েছে। তীব্র নদী ও খালভাঙনে সড়ক ও ট্রলার ঘাটের সংযোগস্থল ক্রমেই বিলীন হচ্ছে। এতে যেকোনো সময় ওই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে সড়কটির পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। পিচ্ছিল ও ভাঙাচোরা রাস্তায় চলাচলের সময় সাধারণ মানুষ, বয়োবৃদ্ধ ও স্কুলগামী শিশুরা প্রায়ই দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পড়ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক সময় পা পিছলে পাশের খালে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে।
সড়ক যোগাযোগের বেহাল অবস্থার কারণে জরুরি রোগী পরিবহনেও চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা। তাদের দাবি, গুরুতর অসুস্থ রোগীকে দ্রুত নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল কিংবা বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী নিয়ে যেতে হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কাটিপাড়া ট্রলার ঘাট ও শ্রীরামপুর সড়ক দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ নলছিটি শহরে যাতায়াত করেন। কিন্তু নদী ও খালের ভাঙনে সড়কটি ক্রমেই সরু ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে।
বর্ষা শুরু হলে সড়কের খানাখন্দে পানি ও কাদা জমে চলাচল আরও কঠিন হয়ে যায়। এতে শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের পাশাপাশি যানবাহন চলাচলেও নানা সমস্যা দেখা দেয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষকরা জানান, শুকনো মৌসুমে কোনোভাবে চলাচল করা গেলেও বর্ষায় সড়কটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। কাদা-পানিতে পোশাক নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহাল দশা ও ভাঙন অব্যাহত থাকলেও স্থায়ী সংস্কার কিংবা ভাঙনরোধে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। অথচ এই সড়ক ও ঘাটটি স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর দাবি, সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমানো, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং জরুরি রোগী পরিবহনের সুবিধার্থে কাটিপাড়া ট্রলার ঘাট ও শ্রীরামপুর সড়ক দ্রুত স্থায়ীভাবে সংস্কার এবং নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
