ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য অরুণাচলের ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে ফের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সময় অতর্কিত গুলিতে এক ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও চার সেনা গুরুতর আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে অরুণাচলের নামপং এলাকায় নামপং নালার কাছে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়েছে, ওই সময় নামপং নালার কাছে আসাম রাইফেলসের ২১ সদস্যের একটি দল টহল দিচ্ছিল। একই এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ চলছিল। এ সময় সেনাদের লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলি চালানো হয়।
হামলায় ঘটনাস্থলেই হাবিলদার জাংখোকাই কুকি (৪২) নিহত হন। আহত চার সেনাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চিকিৎসকদের প্রতিবেদনের পর জানা যাবে।
হামলার পর সীমান্ত এলাকায় বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
প্রাথমিকভাবে ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট কাউন্সিল অব নাগাল্যান্ড (NSCN)-এর কোনো গোষ্ঠী হামলার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সংগঠন হামলার দায় স্বীকার করেনি।
চাংলাংয়ের পুলিশ সুপার কিরলি পাডু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চাংলাং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে আসাম রাইফেলসের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
অরুণাচল প্রদেশের চাংলাং সীমান্তবর্তী এলাকায় গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এবারের ঘটনায় সরাসরি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য হতাহত হওয়ায় সীমান্ত এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য অরুণাচলের ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে ফের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সময় অতর্কিত গুলিতে এক ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও চার সেনা গুরুতর আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে অরুণাচলের নামপং এলাকায় নামপং নালার কাছে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়েছে, ওই সময় নামপং নালার কাছে আসাম রাইফেলসের ২১ সদস্যের একটি দল টহল দিচ্ছিল। একই এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ চলছিল। এ সময় সেনাদের লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলি চালানো হয়।
হামলায় ঘটনাস্থলেই হাবিলদার জাংখোকাই কুকি (৪২) নিহত হন। আহত চার সেনাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চিকিৎসকদের প্রতিবেদনের পর জানা যাবে।
হামলার পর সীমান্ত এলাকায় বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
প্রাথমিকভাবে ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট কাউন্সিল অব নাগাল্যান্ড (NSCN)-এর কোনো গোষ্ঠী হামলার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সংগঠন হামলার দায় স্বীকার করেনি।
চাংলাংয়ের পুলিশ সুপার কিরলি পাডু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চাংলাং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে আসাম রাইফেলসের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
অরুণাচল প্রদেশের চাংলাং সীমান্তবর্তী এলাকায় গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এবারের ঘটনায় সরাসরি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য হতাহত হওয়ায় সীমান্ত এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
