মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা অস্থির হয়ে উঠেছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেল নিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্থিরতা দেখা দিলেও পর্যটন নগরী কক্সবাজার-এ কিছুটা স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে।
কয়েকদিন আগেও পাম্পগুলোতে সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেলেও এখন সেই চাপ কিছুটা কমেছে। তবে ‘ফুয়েল পাস’ না থাকলে চাহিদা অনুযায়ী তেল পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন অনেক চালক।
সরেজমিনে ক্যাপ্টেন কক্স ফিলিং স্টেশন ও ফয়েজ ফিলিং স্টেশন ঘুরে এবং তেল নিতে অপেক্ষারত চালকদের সঙ্গে কথা বলে এ চিত্র জানা গেছে।
পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, পাম্পে আগের তুলনায় লাইনের দৈর্ঘ্য কমেছে। অনেকেই অপেক্ষা করছেন ঠিকই, তবে আগের মতো দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে না। তেলের দাম বৃদ্ধি এবং ‘ফুয়েল পাস’ চালুর পর এই পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ক্যাপ্টেন কক্স ফিলিং স্টেশন-এর সহকারী আবু বক্কর ছিদ্দিক জানান, বর্তমানে তাদের স্টেশনে তেলের কোনো ঘাটতি নেই। তিনি বলেন,
অকটেন, ডিজেল ও পেট্রোল সব ধরনের তেলই নিয়মিত সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। আমরা সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সঠিক মাপে তেল সরবরাহ করছি। দীর্ঘ লাইনের পরিস্থিতি এখন আর নেই।
তেল নিতে আসা চালক জহিরুল ইসলাম বিপ্লব বলেন, আগের তুলনায় এখন লাইনে চাপ কমেছে। তিনি জানান, তেলের দাম বৃদ্ধি ও ফুয়েল পাস চালুর পর ভোগান্তি কিছুটা কমেছে। তবে সব জায়গায় সমানভাবে তেল পাওয়া যাচ্ছে না।
গত ১৮ এপ্রিল বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ দেশে তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করে, যা সেদিন মধ্যরাত থেকেই কার্যকর হয়। এর আগে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে জ্বালানির দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল ছিল।
এছাড়া, চলতি মাসের শুরুতে বিমানে ব্যবহৃত জ্বালানি তেল বা জেট ফুয়েলের দামও বাড়ানো হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার প্রভাবেই দেশের জ্বালানি খাতে এই পরিবর্তন এসেছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে পাম্পে অপেক্ষা কিছুটা কমলেও ‘ফুয়েল পাস’ ব্যবস্থার কারণে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য তেল প্রাপ্তি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা অস্থির হয়ে উঠেছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেল নিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্থিরতা দেখা দিলেও পর্যটন নগরী কক্সবাজার-এ কিছুটা স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে।
কয়েকদিন আগেও পাম্পগুলোতে সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেলেও এখন সেই চাপ কিছুটা কমেছে। তবে ‘ফুয়েল পাস’ না থাকলে চাহিদা অনুযায়ী তেল পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন অনেক চালক।
সরেজমিনে ক্যাপ্টেন কক্স ফিলিং স্টেশন ও ফয়েজ ফিলিং স্টেশন ঘুরে এবং তেল নিতে অপেক্ষারত চালকদের সঙ্গে কথা বলে এ চিত্র জানা গেছে।
পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, পাম্পে আগের তুলনায় লাইনের দৈর্ঘ্য কমেছে। অনেকেই অপেক্ষা করছেন ঠিকই, তবে আগের মতো দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে না। তেলের দাম বৃদ্ধি এবং ‘ফুয়েল পাস’ চালুর পর এই পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ক্যাপ্টেন কক্স ফিলিং স্টেশন-এর সহকারী আবু বক্কর ছিদ্দিক জানান, বর্তমানে তাদের স্টেশনে তেলের কোনো ঘাটতি নেই। তিনি বলেন,
অকটেন, ডিজেল ও পেট্রোল সব ধরনের তেলই নিয়মিত সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। আমরা সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সঠিক মাপে তেল সরবরাহ করছি। দীর্ঘ লাইনের পরিস্থিতি এখন আর নেই।
তেল নিতে আসা চালক জহিরুল ইসলাম বিপ্লব বলেন, আগের তুলনায় এখন লাইনে চাপ কমেছে। তিনি জানান, তেলের দাম বৃদ্ধি ও ফুয়েল পাস চালুর পর ভোগান্তি কিছুটা কমেছে। তবে সব জায়গায় সমানভাবে তেল পাওয়া যাচ্ছে না।
গত ১৮ এপ্রিল বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ দেশে তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করে, যা সেদিন মধ্যরাত থেকেই কার্যকর হয়। এর আগে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে জ্বালানির দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল ছিল।
এছাড়া, চলতি মাসের শুরুতে বিমানে ব্যবহৃত জ্বালানি তেল বা জেট ফুয়েলের দামও বাড়ানো হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার প্রভাবেই দেশের জ্বালানি খাতে এই পরিবর্তন এসেছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে পাম্পে অপেক্ষা কিছুটা কমলেও ‘ফুয়েল পাস’ ব্যবস্থার কারণে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য তেল প্রাপ্তি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।
