রাষ্ট্র জনগণের জন্য, সরকার জনগণের সেবক। ক্ষমতা কোনো ব্যক্তি বা দলের সম্পদ নয়; এটি জনগণের অর্পিত দায়িত্ব। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সুনামগঞ্জে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেছেন সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম।
বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে সুনামগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা, জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা, শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম বলেন, ৫ আগস্টের সবচেয়ে বড় উপলব্ধি হলো রাষ্ট্র জনগণের জন্য এবং সরকার জনগণের সেবক। এই বিশ্বাস থেকেই রাষ্ট্র সংস্কার, সুশাসন, আইনের শাসন, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকার কাজ করে যাচ্ছে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সবার আগে বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, ৩৬ জুলাই আমাদের জাতীয় জীবনের একটি ঐতিহাসিক অধ্যায়। এটি শুধু একটি তারিখ নয়; বরং মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ের প্রতীক। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং আহতদের আত্মত্যাগের কথাও স্মরণ করেন।
বক্তব্যে তিনি বলেন, ইতিহাসে বড় পরিবর্তন দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই আসে। তাঁর মতে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ছিল দীর্ঘ সময়ের জনগণের প্রত্যাশা ও ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। তিনি আরও দাবি করেন, আন্দোলনের শুরু থেকেই বিএনপি ছাত্র-জনতার পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে।
বিভাজনের রাজনীতি পরিহারের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “৫ আগস্ট আমাদের ঐক্য, দায়িত্ববোধ এবং জনগণের প্রতি জবাবদিহিতার শিক্ষা দিয়েছে।
জুলাই যোদ্ধাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো শহীদ পরিবারগুলোর মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা এবং প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য তালিকা প্রণয়ন করা, যাতে প্রকৃত ত্যাগীরা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সহায়তা পান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার এ বি এম জাকির হোসেন এবং সিভিল সার্জন ডা. জসিম উদ্দিন। সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক অসীম চন্দ্র বনিক এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী কমিশনার দীপান্বিতা দেবী। এতে জেলার বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, জুলাই যোদ্ধা, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।
এর আগে সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কালেক্টরেট ভবনের সামনে জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে আলোচনা সভা শেষে জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিরা।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্র জনগণের জন্য, সরকার জনগণের সেবক। ক্ষমতা কোনো ব্যক্তি বা দলের সম্পদ নয়; এটি জনগণের অর্পিত দায়িত্ব। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সুনামগঞ্জে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেছেন সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম।
বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে সুনামগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা, জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা, শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম বলেন, ৫ আগস্টের সবচেয়ে বড় উপলব্ধি হলো রাষ্ট্র জনগণের জন্য এবং সরকার জনগণের সেবক। এই বিশ্বাস থেকেই রাষ্ট্র সংস্কার, সুশাসন, আইনের শাসন, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকার কাজ করে যাচ্ছে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সবার আগে বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, ৩৬ জুলাই আমাদের জাতীয় জীবনের একটি ঐতিহাসিক অধ্যায়। এটি শুধু একটি তারিখ নয়; বরং মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ের প্রতীক। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং আহতদের আত্মত্যাগের কথাও স্মরণ করেন।
বক্তব্যে তিনি বলেন, ইতিহাসে বড় পরিবর্তন দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই আসে। তাঁর মতে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ছিল দীর্ঘ সময়ের জনগণের প্রত্যাশা ও ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। তিনি আরও দাবি করেন, আন্দোলনের শুরু থেকেই বিএনপি ছাত্র-জনতার পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে।
বিভাজনের রাজনীতি পরিহারের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “৫ আগস্ট আমাদের ঐক্য, দায়িত্ববোধ এবং জনগণের প্রতি জবাবদিহিতার শিক্ষা দিয়েছে।
জুলাই যোদ্ধাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো শহীদ পরিবারগুলোর মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা এবং প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য তালিকা প্রণয়ন করা, যাতে প্রকৃত ত্যাগীরা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সহায়তা পান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার এ বি এম জাকির হোসেন এবং সিভিল সার্জন ডা. জসিম উদ্দিন। সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক অসীম চন্দ্র বনিক এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী কমিশনার দীপান্বিতা দেবী। এতে জেলার বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, জুলাই যোদ্ধা, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।
এর আগে সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কালেক্টরেট ভবনের সামনে জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে আলোচনা সভা শেষে জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিরা।
