শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

আইন ও নীতিগত পরামর্শ

জাতিসংঘে লিগ্যাল অফিসার জাইমা, কী দায়িত্ব পালন করবেন?

জাতিসংঘে লিগ্যাল অফিসার জাইমা, কী দায়িত্ব পালন করবেন?
জাতিসংঘে লিগ্যাল অফিসার জাইমা রহমান। ছবি : সংগৃহীত

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাইমা রহমান। জাতিসংঘের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে তাঁকে বাংলাদেশের নাগরিক এবং ‘Legal Officer’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

বর্তমানে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। ২ জুন ২০২৬ নির্বাচিত হওয়ার পর ৮ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি এক বছরের জন্য এ দায়িত্ব পালন করছেন।

জাইমা রহমান সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ের Executive Office-এর অধীনে আইন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করবেন। এ ধরনের দায়িত্বে সভাপতির দাপ্তরিক কার্যক্রমে আইন, বিধি ও প্রক্রিয়াগত বিষয় নিয়ে পরামর্শ দেওয়াই মূল কাজের অংশ।

সাধারণ পরিষদের সভা পরিচালনা, প্রস্তাব ও সংশোধনী, বিভিন্ন প্রক্রিয়াগত প্রশ্ন এবং সভাপতির সিদ্ধান্ত জাতিসংঘের বিধি ও প্রতিষ্ঠিত রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখার ক্ষেত্রে আইনি সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ১৯৩টি সদস্যরাষ্ট্র অংশ নেয় এবং প্রতিটি রাষ্ট্রের একটি করে ভোট রয়েছে। সভাপতির দায়িত্বের মধ্যে সভা আহ্বান ও সভাপতিত্ব করা, সদস্যরাষ্ট্রগুলোর আলোচনা ও আলোচনার প্রক্রিয়া পরিচালনা এবং সাধারণ পরিষদের প্রতিনিধিত্ব করা রয়েছে।

সভাপতির কার্যালয়ের লিগ্যাল অফিসার বিভিন্ন আইনি ও নীতিগত বিষয়ে গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে পারেন। কোনো প্রস্তাবের প্রক্রিয়াগত বৈধতা, সভার নিয়ম বা সভাপতির সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক বিধি ও আগের নজির বিবেচনায় নেওয়াও এ কাজের অংশ হতে পারে।

এ ছাড়া জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট আইন বিভাগ ও অন্যান্য দাপ্তরিক কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় এবং আইনি বিষয়ে বক্তব্য বা নথি প্রস্তুতেও সহায়তা করার সুযোগ থাকে।

জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে জাইমা রহমানকে ব্যারিস্টার এবং আইন ও নীতি বিষয়ক পেশাজীবী হিসেবে পরিচয় করানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

তাঁর পেশাগত অভিজ্ঞতার মধ্যে আইন ও নীতি-সংক্রান্ত কাজের পাশাপাশি জনকল্যাণ, শ্রম, আবাসন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা-সংক্রান্ত আইনি বিষয়ে কাজের উল্লেখ রয়েছে। সামাজিক কল্যাণ ও শিক্ষার ক্ষেত্রে বিনামূল্যে আইনি সেবা বা প্রো বোনো কাজের অভিজ্ঞতার কথাও জাতিসংঘের প্রোফাইলে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির কার্যালয়ে জাইমা রহমান ছাড়াও আরও কয়েকজন বাংলাদেশি কর্মকর্তা কাজ করছেন।

খলিলুর রহমান ৮১তম অধিবেশনের জন্য তাঁর কার্যালয়ে ভৌগোলিক, লিঙ্গ ও ভাষাগত ভারসাম্য রাখার কথা জানিয়েছেন।

সাধারণ পরিষদের সভাপতি পুরো পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগত দায়িত্ব পালন করেন। ফলে সভাপতির সিদ্ধান্ত ও দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘের সনদ, বিধি ও প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখতে আইন কর্মকর্তার পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

জাইমা রহমানের নতুন দায়িত্ব মূলত সেই আইনি ও নীতিগত সহায়তা কাঠামোরই অংশ যেখানে সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ের কার্যক্রমকে প্রাসঙ্গিক আইন, বিধি ও প্রক্রিয়ার সঙ্গে সমন্বয় করতে সহায়তা করা হয়।

#জাতিসংঘ #জাইমা_রহমান #লিগ্যাল_অফিসার

চেকপোস্ট

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


জাতিসংঘে লিগ্যাল অফিসার জাইমা, কী দায়িত্ব পালন করবেন?

প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাইমা রহমান। জাতিসংঘের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে তাঁকে বাংলাদেশের নাগরিক এবং ‘Legal Officer’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

বর্তমানে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। ২ জুন ২০২৬ নির্বাচিত হওয়ার পর ৮ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি এক বছরের জন্য এ দায়িত্ব পালন করছেন।

জাইমা রহমান সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ের Executive Office-এর অধীনে আইন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করবেন। এ ধরনের দায়িত্বে সভাপতির দাপ্তরিক কার্যক্রমে আইন, বিধি ও প্রক্রিয়াগত বিষয় নিয়ে পরামর্শ দেওয়াই মূল কাজের অংশ।

সাধারণ পরিষদের সভা পরিচালনা, প্রস্তাব ও সংশোধনী, বিভিন্ন প্রক্রিয়াগত প্রশ্ন এবং সভাপতির সিদ্ধান্ত জাতিসংঘের বিধি ও প্রতিষ্ঠিত রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখার ক্ষেত্রে আইনি সহায়তা প্রয়োজন হতে পারে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ১৯৩টি সদস্যরাষ্ট্র অংশ নেয় এবং প্রতিটি রাষ্ট্রের একটি করে ভোট রয়েছে। সভাপতির দায়িত্বের মধ্যে সভা আহ্বান ও সভাপতিত্ব করা, সদস্যরাষ্ট্রগুলোর আলোচনা ও আলোচনার প্রক্রিয়া পরিচালনা এবং সাধারণ পরিষদের প্রতিনিধিত্ব করা রয়েছে।

সভাপতির কার্যালয়ের লিগ্যাল অফিসার বিভিন্ন আইনি ও নীতিগত বিষয়ে গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে পারেন। কোনো প্রস্তাবের প্রক্রিয়াগত বৈধতা, সভার নিয়ম বা সভাপতির সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক বিধি ও আগের নজির বিবেচনায় নেওয়াও এ কাজের অংশ হতে পারে।

এ ছাড়া জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট আইন বিভাগ ও অন্যান্য দাপ্তরিক কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় এবং আইনি বিষয়ে বক্তব্য বা নথি প্রস্তুতেও সহায়তা করার সুযোগ থাকে।

জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে জাইমা রহমানকে ব্যারিস্টার এবং আইন ও নীতি বিষয়ক পেশাজীবী হিসেবে পরিচয় করানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

তাঁর পেশাগত অভিজ্ঞতার মধ্যে আইন ও নীতি-সংক্রান্ত কাজের পাশাপাশি জনকল্যাণ, শ্রম, আবাসন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা-সংক্রান্ত আইনি বিষয়ে কাজের উল্লেখ রয়েছে। সামাজিক কল্যাণ ও শিক্ষার ক্ষেত্রে বিনামূল্যে আইনি সেবা বা প্রো বোনো কাজের অভিজ্ঞতার কথাও জাতিসংঘের প্রোফাইলে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির কার্যালয়ে জাইমা রহমান ছাড়াও আরও কয়েকজন বাংলাদেশি কর্মকর্তা কাজ করছেন।

খলিলুর রহমান ৮১তম অধিবেশনের জন্য তাঁর কার্যালয়ে ভৌগোলিক, লিঙ্গ ও ভাষাগত ভারসাম্য রাখার কথা জানিয়েছেন।

সাধারণ পরিষদের সভাপতি পুরো পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগত দায়িত্ব পালন করেন। ফলে সভাপতির সিদ্ধান্ত ও দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘের সনদ, বিধি ও প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখতে আইন কর্মকর্তার পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

জাইমা রহমানের নতুন দায়িত্ব মূলত সেই আইনি ও নীতিগত সহায়তা কাঠামোরই অংশ যেখানে সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ের কার্যক্রমকে প্রাসঙ্গিক আইন, বিধি ও প্রক্রিয়ার সঙ্গে সমন্বয় করতে সহায়তা করা হয়।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত