জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া ভাষণের জন্য তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক অভিনন্দনবার্তায় তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।
রাষ্ট্রপতি তার বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে দূরদর্শী, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও দিকনির্দেশনামূলক হিসেবে উল্লেখ করেন। তার ভাষণে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, জনগণের আকাঙ্ক্ষা এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে দেশের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ভাষণে দেশের পুনর্গঠনে ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’ এই ‘থ্রি আর’ কৌশলের কথাও তুলে ধরা হয়েছে বলে রাষ্ট্রপতির বার্তায় উল্লেখ করা হয়।
জাতিসংঘকে সমঝোতাভিত্তিক বিশ্বসমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখার প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গিরও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। সংঘাতপূর্ণ বিশ্বে সংলাপ, কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বানকে তিনি তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের ভাষণটি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অবস্থান ও অগ্রাধিকারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছে।
অভিনন্দনবার্তার শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য এবং নিরাপদ ও সফল সফর কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া ভাষণের জন্য তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক অভিনন্দনবার্তায় তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।
রাষ্ট্রপতি তার বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে দূরদর্শী, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও দিকনির্দেশনামূলক হিসেবে উল্লেখ করেন। তার ভাষণে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, জনগণের আকাঙ্ক্ষা এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে দেশের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ভাষণে দেশের পুনর্গঠনে ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’ এই ‘থ্রি আর’ কৌশলের কথাও তুলে ধরা হয়েছে বলে রাষ্ট্রপতির বার্তায় উল্লেখ করা হয়।
জাতিসংঘকে সমঝোতাভিত্তিক বিশ্বসমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখার প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গিরও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। সংঘাতপূর্ণ বিশ্বে সংলাপ, কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বানকে তিনি তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের ভাষণটি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অবস্থান ও অগ্রাধিকারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছে।
অভিনন্দনবার্তার শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য এবং নিরাপদ ও সফল সফর কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।
