সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও ভেরিফিকেশনের কারণে কিছু প্রার্থী নিয়োগ থেকে বাদ পড়েছেন এমন অভিযোগ নিয়ে পুনর্তদন্তের দাবি জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দলটির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানান। একই দিনে ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীদের পুনঃযাচাই ও আপিলের সুযোগ দেওয়ার দাবিও উঠেছে।
তাদের বক্তব্য, ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া যেন বৈষম্য, হয়রানি কিংবা রাজনৈতিক বা মতাদর্শিক বাছাইয়ের মাধ্যম না হয়।
এবি পার্টি আরও দাবি করেছে, অস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের চাকরি বাতিল না করে বিষয়গুলো স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে পুনঃতদন্ত করা হোক।
তাদের দাবি, আর্থিক লেনদেন, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ থেকে নিয়োগব্যবস্থাকে মুক্ত রাখতে জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে।
দলটির নেতারা বলেন, যাচাই-বাছাইয়ে কোনো প্রার্থী আইনগতভাবে অযোগ্য প্রমাণিত না হলে বিষয়টি পুনরায় পরীক্ষা করে দেখার সুযোগ থাকা উচিত।
এ পরিস্থিতিতে ভেরিফিকেশনের মানদণ্ড, বাদ পড়ার কারণ এবং সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের আপিল বা পুনঃযাচাইয়ের সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এবি পার্টি দ্রুত এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও ভেরিফিকেশনের কারণে কিছু প্রার্থী নিয়োগ থেকে বাদ পড়েছেন এমন অভিযোগ নিয়ে পুনর্তদন্তের দাবি জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দলটির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানান। একই দিনে ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীদের পুনঃযাচাই ও আপিলের সুযোগ দেওয়ার দাবিও উঠেছে।
তাদের বক্তব্য, ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া যেন বৈষম্য, হয়রানি কিংবা রাজনৈতিক বা মতাদর্শিক বাছাইয়ের মাধ্যম না হয়।
এবি পার্টি আরও দাবি করেছে, অস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের চাকরি বাতিল না করে বিষয়গুলো স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে পুনঃতদন্ত করা হোক।
তাদের দাবি, আর্থিক লেনদেন, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ থেকে নিয়োগব্যবস্থাকে মুক্ত রাখতে জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে।
দলটির নেতারা বলেন, যাচাই-বাছাইয়ে কোনো প্রার্থী আইনগতভাবে অযোগ্য প্রমাণিত না হলে বিষয়টি পুনরায় পরীক্ষা করে দেখার সুযোগ থাকা উচিত।
এ পরিস্থিতিতে ভেরিফিকেশনের মানদণ্ড, বাদ পড়ার কারণ এবং সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের আপিল বা পুনঃযাচাইয়ের সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এবি পার্টি দ্রুত এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
