সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের জয়নগর বাজারে মাদক ব্যবসার অভিযোগে অভিযুক্ত রেজাউল করিমকে ধাওয়া করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ধাওয়ার মুখে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জ সদর থানার এএসআই আবু বকর সরকারি কাজে জয়নগর বাজারে গেলে মোহনপুর গ্রামের চানফর আলীর ছেলে রেজাউল করিম সেখানে এসে তার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানতে পেরে মোহনপুর মাদক প্রতিরোধ কমিটির সদস্যরা রেজাউলকে ধাওয়া দিলে তিনি পালিয়ে যান।
পরে মোহনপুর মাদক প্রতিরোধ কমিটির সেক্রেটারি ও মোহনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি মো. সেলিম এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি সদর থানার ওসি ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
স্থানীয়দের দাবি, রেজাউলের মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড নিয়ে এর আগেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া গত মার্চে একটি গ্রাম্য সালিশে তিনি মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগের বিষয়ে ক্ষমা চেয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না বলে মুচলেকা দেন বলে এলাকাবাসীর দাবি। পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদ থেকেও তার নামে দেওয়া একটি প্রত্যয়নপত্র বাতিল করা হয় বলে জানানো হয়।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গত ২০ জুন অনুষ্ঠিত মাদকবিরোধী সমাবেশে সদর থানার ওসি অভিযুক্ত রেজাউলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু এখনো তাকে গ্রেপ্তার করা না হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানার এএসআই আবু বকর বলেন, তিনি সরকারি কাজে বাজারে গিয়েছিলেন। একটি দোকানে বসে থাকা অবস্থায় রেজাউল সেখানে আসেন। তাকে তিনি সেখানে নিয়ে যাননি।
ঘটনার বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে নতুন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের জয়নগর বাজারে মাদক ব্যবসার অভিযোগে অভিযুক্ত রেজাউল করিমকে ধাওয়া করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ধাওয়ার মুখে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জ সদর থানার এএসআই আবু বকর সরকারি কাজে জয়নগর বাজারে গেলে মোহনপুর গ্রামের চানফর আলীর ছেলে রেজাউল করিম সেখানে এসে তার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানতে পেরে মোহনপুর মাদক প্রতিরোধ কমিটির সদস্যরা রেজাউলকে ধাওয়া দিলে তিনি পালিয়ে যান।
পরে মোহনপুর মাদক প্রতিরোধ কমিটির সেক্রেটারি ও মোহনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি মো. সেলিম এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি সদর থানার ওসি ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
স্থানীয়দের দাবি, রেজাউলের মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড নিয়ে এর আগেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া গত মার্চে একটি গ্রাম্য সালিশে তিনি মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগের বিষয়ে ক্ষমা চেয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না বলে মুচলেকা দেন বলে এলাকাবাসীর দাবি। পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদ থেকেও তার নামে দেওয়া একটি প্রত্যয়নপত্র বাতিল করা হয় বলে জানানো হয়।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গত ২০ জুন অনুষ্ঠিত মাদকবিরোধী সমাবেশে সদর থানার ওসি অভিযুক্ত রেজাউলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু এখনো তাকে গ্রেপ্তার করা না হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানার এএসআই আবু বকর বলেন, তিনি সরকারি কাজে বাজারে গিয়েছিলেন। একটি দোকানে বসে থাকা অবস্থায় রেজাউল সেখানে আসেন। তাকে তিনি সেখানে নিয়ে যাননি।
ঘটনার বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে নতুন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
