কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুবি দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা জমি দখলের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষকরা।
শনিবার ১০ মে বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম বরাবর দেওয়া এক লিখিত অভিযোগপত্রে ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আবুল হায়াত এবং বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি এম মনিরুজ্জামান এ দাবি জানান।
অভিযোগপত্রে তারা উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের কর্মচারী জহিরুল ইসলাম বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন, যা তাদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করেছে।
শিক্ষকরা জানান, ২০১৯ সালে তারা যৌথভাবে প্রায় ৩০ শতক জমি ক্রয় করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। তবে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে জহিরুল ইসলাম ওই জমির একটি অংশ নিজের দাবি করে বিরোধ তৈরি করেন।
তাদের অভিযোগ, পরবর্তীতে জমিতে গিয়ে তারা দেখতে পান প্রায় ৩০টি বড় গাছ কেটে ফেলা হয়েছে, যা জহিরুল ইসলাম করেছেন বলে তারা সন্দেহ করছেন। পরে উভয় পক্ষের মালিকদের উপস্থিতিতে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
শিক্ষকরা দাবি করেন, জমির সীমানা নির্ধারণের পরও জহিরুল ইসলাম উত্তেজনা সৃষ্টি করেন এবং তার অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের ব্যক্তিগত জমি সংক্রান্ত বিষয় হওয়ায় রেজিস্ট্রার দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুবি দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা জমি দখলের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষকরা।
শনিবার ১০ মে বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম বরাবর দেওয়া এক লিখিত অভিযোগপত্রে ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আবুল হায়াত এবং বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি এম মনিরুজ্জামান এ দাবি জানান।
অভিযোগপত্রে তারা উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের কর্মচারী জহিরুল ইসলাম বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন, যা তাদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করেছে।
শিক্ষকরা জানান, ২০১৯ সালে তারা যৌথভাবে প্রায় ৩০ শতক জমি ক্রয় করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। তবে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে জহিরুল ইসলাম ওই জমির একটি অংশ নিজের দাবি করে বিরোধ তৈরি করেন।
তাদের অভিযোগ, পরবর্তীতে জমিতে গিয়ে তারা দেখতে পান প্রায় ৩০টি বড় গাছ কেটে ফেলা হয়েছে, যা জহিরুল ইসলাম করেছেন বলে তারা সন্দেহ করছেন। পরে উভয় পক্ষের মালিকদের উপস্থিতিতে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
শিক্ষকরা দাবি করেন, জমির সীমানা নির্ধারণের পরও জহিরুল ইসলাম উত্তেজনা সৃষ্টি করেন এবং তার অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের ব্যক্তিগত জমি সংক্রান্ত বিষয় হওয়ায় রেজিস্ট্রার দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
