সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও তথ্য নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ববহির্ভূত এক ব্যক্তি সরকারি গুরুত্বপূর্ণ কম্পিউটার ও অফিসের নথিপত্র ব্যবহার করছেন, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।
জানা যায়, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত মো. ইজাজুল হক বর্তমানে উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ শূন্য থাকায় অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর গাড়িচালক হিসেবে কাজ করছেন। অভিযোগ উঠেছে, দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিয়মিত অফিসে যাতায়াতের সুযোগে তিনি সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের সরকারি কম্পিউটারে বসে বিভিন্ন কাজ করেন।
সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের হাতে এসেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি ভূমি অফিসের একটি কম্পিউটারে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করছেন এবং তার আশপাশে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছড়িয়ে রয়েছে।
এ ঘটনায় সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একজন গাড়িচালক হয়ে কীভাবে তিনি সরকারি প্রশাসনিক কম্পিউটার ব্যবহার করছেন এবং সংবেদনশীল তথ্য কতটা নিরাপদ, তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সাধারণত ভূমি অফিসের কম্পিউটারগুলোতে খতিয়ান, নামজারি, ভূমি রেকর্ড ও অনলাইন মিউটেশন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে। ফলে অনুমোদিত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কারও প্রবেশাধিকার প্রশাসনিক বিধিবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সেবাগ্রহীতা জানান, সাধারণ মানুষকে ভূমি অফিসের নির্দিষ্ট কক্ষে প্রবেশ করতেও নিয়ম মেনে চলতে হয়। সেখানে একজন গাড়িচালক যদি নির্বিঘ্নে কম্পিউটার ব্যবহার করেন, তাহলে বিষয়টি তদন্ত হওয়া জরুরি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মো. ইজাজুল হক বলেন, তিনি কোনো কাজ করছিলেন না, এ কথা বলেই ফোন কেটে দেন।
অন্যদিকে, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, “সে কম্পিউটারে কী কাজ করছে, তা আগে দেখতে হবে। ওই কম্পিউটারে তেমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেই। ব্যক্তিগতভাবে কিছু টিপাটিপি করে থাকতে পারে।”

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও তথ্য নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ববহির্ভূত এক ব্যক্তি সরকারি গুরুত্বপূর্ণ কম্পিউটার ও অফিসের নথিপত্র ব্যবহার করছেন, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।
জানা যায়, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত মো. ইজাজুল হক বর্তমানে উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ শূন্য থাকায় অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর গাড়িচালক হিসেবে কাজ করছেন। অভিযোগ উঠেছে, দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিয়মিত অফিসে যাতায়াতের সুযোগে তিনি সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের সরকারি কম্পিউটারে বসে বিভিন্ন কাজ করেন।
সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের হাতে এসেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি ভূমি অফিসের একটি কম্পিউটারে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করছেন এবং তার আশপাশে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছড়িয়ে রয়েছে।
এ ঘটনায় সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একজন গাড়িচালক হয়ে কীভাবে তিনি সরকারি প্রশাসনিক কম্পিউটার ব্যবহার করছেন এবং সংবেদনশীল তথ্য কতটা নিরাপদ, তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সাধারণত ভূমি অফিসের কম্পিউটারগুলোতে খতিয়ান, নামজারি, ভূমি রেকর্ড ও অনলাইন মিউটেশন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে। ফলে অনুমোদিত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কারও প্রবেশাধিকার প্রশাসনিক বিধিবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সেবাগ্রহীতা জানান, সাধারণ মানুষকে ভূমি অফিসের নির্দিষ্ট কক্ষে প্রবেশ করতেও নিয়ম মেনে চলতে হয়। সেখানে একজন গাড়িচালক যদি নির্বিঘ্নে কম্পিউটার ব্যবহার করেন, তাহলে বিষয়টি তদন্ত হওয়া জরুরি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মো. ইজাজুল হক বলেন, তিনি কোনো কাজ করছিলেন না, এ কথা বলেই ফোন কেটে দেন।
অন্যদিকে, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, “সে কম্পিউটারে কী কাজ করছে, তা আগে দেখতে হবে। ওই কম্পিউটারে তেমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেই। ব্যক্তিগতভাবে কিছু টিপাটিপি করে থাকতে পারে।”
