মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শুভাগমন উপলক্ষে আনন্দ মিছিল ও জশনে জুলুস জায়েজ কি না এ বিষয়ে কওমি অঙ্গনের ওবায়দুল্লাহ হোসাইন সাহেবের সঙ্গে মুজাকারায় (মতবিনিময়) বসার আহ্বান গ্রহণ করেছেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সচিব মুফতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তাহেরী।
এক বক্তব্যে মুফতি তাহেরী বলেন, “আল্লাহর হাবীব (সা.)-এর শুভ আগমনে আনন্দ মিছিল করা না-জায়েজ এটি প্রমাণ করতে ওবায়দুল্লাহ হোসাইন সাহেব আমার সঙ্গে মুজাকারায় বসতে রাজি হয়েছেন।
তিনি জানান, ওবায়দুল্লাহ হোসাইনকে ব্যক্তিগতভাবে তিনি কখনো দেখেননি এবং এর আগে তার নামও শোনেননি। তবে ধর্মীয় বিষয়ে আলোচনার জন্য মুজাকারায় বসতে তার কোনো আপত্তি নেই।
মুফতি তাহেরী বলেন, মুজাকারায় বসার ক্ষেত্রে ওবায়দুল্লাহ হোসাইন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামেয়া ইউনুসিয়া মাদরাসার অনুমতির শর্ত দিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি অনুমতিপত্র প্রকাশ বা সরবরাহের আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, উদারতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রশাসনের সহযোগিতায় আলোচনার পরিবেশ তৈরি করা যেতে পারে। উভয় পক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের রোডম্যাপ তৈরি করবে।
নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে মুফতি তাহেরী বলেন, মহানবী (সা.)-এর শুভাগমন উপলক্ষে আনন্দ মিছিল জায়েজ এবং ‘ঈদ’ শব্দ ব্যবহারের শাব্দিক অর্থের ক্ষেত্রেও তার কোনো আপত্তি নেই।
তিনি বলেন, ধর্মীয় বিষয়ে পারস্পরিক আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে বিষয়গুলো স্পষ্ট করা সম্ভব।

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শুভাগমন উপলক্ষে আনন্দ মিছিল ও জশনে জুলুস জায়েজ কি না এ বিষয়ে কওমি অঙ্গনের ওবায়দুল্লাহ হোসাইন সাহেবের সঙ্গে মুজাকারায় (মতবিনিময়) বসার আহ্বান গ্রহণ করেছেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সচিব মুফতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তাহেরী।
এক বক্তব্যে মুফতি তাহেরী বলেন, “আল্লাহর হাবীব (সা.)-এর শুভ আগমনে আনন্দ মিছিল করা না-জায়েজ এটি প্রমাণ করতে ওবায়দুল্লাহ হোসাইন সাহেব আমার সঙ্গে মুজাকারায় বসতে রাজি হয়েছেন।
তিনি জানান, ওবায়দুল্লাহ হোসাইনকে ব্যক্তিগতভাবে তিনি কখনো দেখেননি এবং এর আগে তার নামও শোনেননি। তবে ধর্মীয় বিষয়ে আলোচনার জন্য মুজাকারায় বসতে তার কোনো আপত্তি নেই।
মুফতি তাহেরী বলেন, মুজাকারায় বসার ক্ষেত্রে ওবায়দুল্লাহ হোসাইন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামেয়া ইউনুসিয়া মাদরাসার অনুমতির শর্ত দিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি অনুমতিপত্র প্রকাশ বা সরবরাহের আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, উদারতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রশাসনের সহযোগিতায় আলোচনার পরিবেশ তৈরি করা যেতে পারে। উভয় পক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের রোডম্যাপ তৈরি করবে।
নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে মুফতি তাহেরী বলেন, মহানবী (সা.)-এর শুভাগমন উপলক্ষে আনন্দ মিছিল জায়েজ এবং ‘ঈদ’ শব্দ ব্যবহারের শাব্দিক অর্থের ক্ষেত্রেও তার কোনো আপত্তি নেই।
তিনি বলেন, ধর্মীয় বিষয়ে পারস্পরিক আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে বিষয়গুলো স্পষ্ট করা সম্ভব।
