চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাম্প্রতিক সময়ে তীব্র আকার ধারণ করেছে লোডশেডিং। প্রচণ্ড গরম ও মশার উপদ্রবের মধ্যে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ। গত সপ্তাহে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও হঠাৎ করেই বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাপক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, অনেক এলাকায় প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা, কোথাও কোথাও ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। দিনের পাশাপাশি রাতেও ঘন ঘন লোডশেডিং হওয়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। বিশেষ করে ফজর, যোহরসহ নামাজের সময় এবং দৈনন্দিন কাজের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ।
স্থানীয় এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ দিয়ে আবার দুই ঘণ্টা বন্ধ রাখার এই লুকোচুরির শেষ কোথায়? নিয়মিত বিল দিয়েও কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছি না।
লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিও গ্রাহকদের অসন্তোষ বাড়িয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা ২০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ৫০ পয়সা করা হয়েছে। এছাড়া প্রিপেইড মিটারে রিচার্জের সময় বিভিন্ন খাতে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেটে রাখার অভিযোগও তুলেছেন অনেক গ্রাহক।
সচেতন মহলের মতে, দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিং, বাড়তি বিদ্যুৎ বিল এবং সেবার মান নিয়ে ভোক্তাদের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং গ্রাহকদের অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাম্প্রতিক সময়ে তীব্র আকার ধারণ করেছে লোডশেডিং। প্রচণ্ড গরম ও মশার উপদ্রবের মধ্যে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ। গত সপ্তাহে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও হঠাৎ করেই বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাপক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, অনেক এলাকায় প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা, কোথাও কোথাও ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। দিনের পাশাপাশি রাতেও ঘন ঘন লোডশেডিং হওয়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। বিশেষ করে ফজর, যোহরসহ নামাজের সময় এবং দৈনন্দিন কাজের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ।
স্থানীয় এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ দিয়ে আবার দুই ঘণ্টা বন্ধ রাখার এই লুকোচুরির শেষ কোথায়? নিয়মিত বিল দিয়েও কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছি না।
লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিও গ্রাহকদের অসন্তোষ বাড়িয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা ২০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ৫০ পয়সা করা হয়েছে। এছাড়া প্রিপেইড মিটারে রিচার্জের সময় বিভিন্ন খাতে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেটে রাখার অভিযোগও তুলেছেন অনেক গ্রাহক।
সচেতন মহলের মতে, দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিং, বাড়তি বিদ্যুৎ বিল এবং সেবার মান নিয়ে ভোক্তাদের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং গ্রাহকদের অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
